নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: নকল তফসিলি জাতি বা উপজাতি শংসাপত্র বানিয়ে অনেকেই চাকরি জুটিয়ে নিয়েছিলেন। এবার তাঁদের পদত্যাগের পালা। মেমারিতে দু’জনের নামে নকল এসসি সার্টিফিকেট তৈরি করে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টি নিয়ে শোরগোল হতেই একজন পদত্যাগ করেছেন। তিনি হুগলির একটি কলেজে সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। ক’দিন আগে রাজ্যের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু বর্ধমানে এসে বলেছিলেন, ২০১১সালের পর ইস্যু হওয়া প্রতিটি এসটি, এসসি সার্টিফিকেট যাচাই করা হবে। যাঁরা নকল শংসাপত্র বানিয়ে সুবিধা নিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে। সেই অনুযায়ী রাজ্যের প্রতিটি জেলাতেই শংসাপত্র যাচাই শুরু হয়েছে। যে সমস্ত নথি নিয়ে শংসাপত্র তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি যাচাই করা চলছে। তবে প্রকৃত যোগ্যদের শংসাপত্র যাতে বাতিল না হয়, সেটা দেখা হচ্ছে।বিজেপি’র দাবি, তৃণমূল জমানায় অনেক যোগ্য পরিবার তপশিলি শংসাপত্র পাননি। সেকারণে বিজেপি ক্ষমতায় এসেই আদিবাসী-অধ্যুষিত এলাকায় শিবির করে শংসাপত্র দিয়েছে। এখনও যে সমস্ত যোগ্য মানুষ শংসাপত্র পাননি, আগামী দিনে তাঁদেরও তা দেওয়া হবে। কিন্তু তৃণমূলের আমলে নকল তপশিলি শংসাপত্র বানিয়ে অনেক অযোগ্য ব্যক্তি চাকরি পেয়েছে। যোগ্যরা বঞ্চিত হয়েছেন। কয়েকটি ক্ষেত্রে সংরক্ষিত আসনেও জেনারেল প্রার্থীরা চাকরি পেয়েছেন। এমন অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাঁরা নকল শংসাপত্র তৈরি করেছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে।বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, বিষয়টি গুরুতর। নকল এসসি সার্টিফিকেট তৈরি করে অনেকে স্কুল, কলেজে চাকরি করছেন। তাঁরা কী শিক্ষা দেবেন, সেটা সহজেই বোঝা যায়। এই প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা দরকার।



