Bartaman Logo
১০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সুবর্ণরেখার জলের স্রোতে ভেসে গেল কাঠের সেতু

সুবর্ণরেখা নদীর জলে কাঠের সেতু ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। হাজারো বাসিন্দা সমস্যায়, কংক্রিটের সেতুর দাবি জোরালো। বিস্তারিত পড়ুন।

সুবর্ণরেখার জলের স্রোতে ভেসে গেল কাঠের সেতু
  • ১০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: বর্ষায় সুবর্ণরেখা নদীতে জল বাড়ছে। বুধবার রাতে সাঁকরাইল ব্লকের গড়ধরা এলাকায় জলের স্রোতে কাঠের সেতু ভেঙে গিয়েছে। নয়াগ্ৰাম ব্লকের দেউলবাড় ও সাঁকরাইলের গড়ধরার মধ্যে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। নদীর দুই পাড়ের কয়েক হাজার বাসিন্দা সমস্যার পড়েছেন। নদীর উপর কংক্রিটের সেতু তৈরির দাবি জোরালো হয়েছে। সাঁকরাইল ও নয়াগ্ৰাম ব্লকের মাঝখান দিয়ে সুবর্ণরেখা নদী বয়ে গিয়েছে। নদীতে জলের স্রোত বাড়লে কাঠের সেতু ভেঙে যায়। প্রতি বর্ষায় নদীর দু’দিকের বহু মানুষ চরম সমস্যায় পড়েন। নৌকায় করে পারাপার করা ছাড়া উপায় থাকে না। ঝড়-বৃষ্টির সময় আবার নৌকা চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। নয়াগ্ৰামের দেউলবাড় ও আশপাশের ছোট ব্যবসায়ীরা সাঁকরাইলের রোহিণী ও গড়ধরা হাটে জিনিসপত্র বিক্রি করতে আসেন। ছেলেমেয়েরা রোহিণী সি আরডি হাইস্কুলে পড়তে আসে। সাঁকরাইল এলাকার বাসিন্দাদের চিকিৎসার জন্য নয়াগ্ৰাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যেতে হয়। বর্ষার সময় নৌকায় কয়েক হাজার বাসিন্দাকে নির্ভর করতে হয়। নৌকার জন্য দীর্ঘক্ষণ নদীর পাড়ে অপেক্ষা করতে হয়ে। দু’দিকের বাসিন্দারা নির্দিষ্ট সময়ে স্কুল কলেজ, অফিসে পৌঁছাতে পারেন না। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, কলকাতা থেকে আসা বহু পর্যটক নয়াগ্ৰামের রামেশ্বর মন্দির যাওয়ার জন্য গড়ধরা ও দেউলবাড়ের রাস্তা ব্যবহার করেন। বর্ষার সময় পর্যটকদের এই পথ দিয়ে আসা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কংক্রিটের সেতুর দাবি তুলছেন। গড়ধরা এলাকার বাসিন্দা অমিত সিংহ বলেন, সুবর্ণরেখা নদীর জল বাড়তে শুরু করেছে। বুধবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ কাঠের সেতুটি ভেঙে যায়। এদিন সকাল থেকে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কংক্রিটের সেতু তৈরির জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি উঠেছে। আশা করছি নতুন সরকার আমাদের দাবির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ