Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

এপ্রিলে বিশেষ অধিবেশনে পাস হতে পারে মহিলা সংরক্ষণ বিল, বাংলার ভোটে মন জয়ের চেষ্টা

মহিলা সংরক্ষণ বিল আনা হবে বলা হয়েছিল সংসদের বাজেট অধিবেশনেই। কিন্তু মার্চের শেষ সপ্তাহে জানা গেল আপাতত বিল আসছে না।

এপ্রিলে বিশেষ অধিবেশনে পাস হতে পারে মহিলা সংরক্ষণ বিল, বাংলার ভোটে মন জয়ের চেষ্টা
  • ২ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মহিলা সংরক্ষণ বিল আনা হবে বলা হয়েছিল সংসদের বাজেট অধিবেশনেই। কিন্তু মার্চের শেষ সপ্তাহে জানা গেল আপাতত বিল আসছে না। আগামী কাল সংসদের বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত হচ্ছে। শেষ পর্বে এসে আবার নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে যে, মোদি সরকার নাকি মহিলা সংরক্ষণ বিল অবিলম্বে পাশ করাতে চাইছে। আর সেই লক্ষ্যে এপ্রিল মাসেরই মাঝামাঝি সময়ে সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে। ১৬ থেকে ১৮ এপ্রিলের কথা জল্পনায় উঠে এসেছে। ওই সময়সীমায় মহিলা সংরক্ষণ বিল পেশ ও আলোচনার পর পাশ করানোর একটি প্রস্তাব নিয়ে সরকারের অন্দরেই জোরদার চর্চা চলছে। বিরোধীদের সঙ্গেও কথা হতে পারে।  মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে এত তাড়াহুড়ো কেন? একটি তত্ত্ব হল, বাংলার ভোটের প্রাক্কালে মহিলা সংরক্ষণ আইন নিয়ে এসে বাংলার মহিলা ভোটারদের মন জয় করার মরিয়া প্রয়াস করতে চায় বিজেপি। কারণ এই মহিলা ভোটই তৃণমূলের জয়ের কারিগর। তাই সেই ভোটে ভাগ বসাতে শেষ চেষ্টা করছে বিজেপি। যদিও মহিলা সংরক্ষণ বিল বনাম লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের লড়াই অসম বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবুও যদি সত্যিই বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়, তাহলে শুধুই মহিলা সংরক্ষণ বিল নয়, একইসঙ্গে ডিলিমিটেশন আইনও আনা হবে এবং পাশ করিয়ে দেওয়া হবে। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের সেন্সাসের পর চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে ২০২৮ সালে। সেই পরিসংখ্যানকেই ধরা হবে ডিলিমিটেশনের ভিত্তি। যদিও এই ডিলিমিটেশনের প্রক্রিয়া নিয়ে বুধবার কংগ্রেস অভিযোগ তুলেছে বিজেপির রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধির মাধ্যম হবে এই আসন পুনর্বিন্যাস। কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ বলেছেন, যে মাপকাঠিতে এই প্রক্রিয়া প্রযুক্ত করার প্রস্তাব নিয়ে আসা হচ্ছে, সেটি কার্যকর হলে দক্ষিণ ভারতে সব মিলিয়ে ৬০টি  লোকসভা আসন বাড়বে। পক্ষান্তরে উত্তর ভারতে ২০০ আসন বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ দক্ষিণ ভারত সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে জনপ্রতিনিত্ব নিরিখে। তুলামূলকভাবে অনেক বেশি এমপি আসবেন উত্তর ভারত থেকে। শুধু উত্তরপ্রদেশে ৮০ আসন বেড়ে হবে ১২০। অর্থাৎ ৪০ আসন বেড়ে যাবে। অথচ কেরল অথবা তামিলনাড়ুতে বাড়বে খুব বেশি হলে ১০ থেকে ২০ আসন। বিশেষ অধিবেশন ডাকা নিয়ে সরকার বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা বুধবার পর্যন্ত করেনি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ