সংবাদদাতা, কান্দি: পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে কান্দি পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডের চারটি সর্বজনীন ও একটি বাড়ির পুজো ঘিরে এখন সেখানে সাজ সাজ রব। কান্দি পুরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটকের নিজস্ব ওয়ার্ড হওয়ায় তিনিও ওই পুজোগুলির সঙ্গে জড়িত থাকেন। তবে এখানকার মহিলা পরিচালিত পুজো এবছরও নজর কাড়বে বলে অনেকে মনে করছেন।
কান্দি শহরের এই ওয়ার্ডটি ব্যবসা কেন্দ্র বলেই পরিচিত। অনেকে একে কলকাতার বড়বাজার বলেও ডাকে। ওয়ার্ডে রয়েছে একাধিক বাজার। তারমধ্যেই চারটি সর্বজনীন পুজো ঘিরে বাসিন্দাদের চরম উন্মাদনা দেখা দিয়েছে। মনসাতলা, সবুজ সঙ্ঘ, নিমতলা ও বাধাপুকুর পুজো কমিটি গুলিতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। নিমতলা মহিলা পরিচালিত পুজো কমিটির সদস্য সুতপা কর্মকার, জ্যোৎস্না কর্মকার, শুভ্রা কর্মকার, আশা লাহা দিনরাত এক করে পুজোর প্রস্তুতিতে লেগে রয়েছেন। সুতপাদেবী জানান, বাড়ির কাজ সামলে পুজোর আয়োজন করে যাচ্ছি। বেশ আনন্দ লাগছে।
দুর্গাপুজোর পুজো উপলক্ষ্যে কান্দি পুরসভা শহরের প্রতিটি রাস্তা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার সঙ্গে সঙ্গে নিকাশি ব্যবস্থার উপরও জোর দিয়েছে। মণ্ডপে মণ্ডপে পানীয় জল থেকে মেডিক্যাল ক্যাম্প সবকিছুই ব্যবস্থা থাকবে। কান্দি পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, এখন থেকেই দু’বেলা পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। কোথাও কোনও সমস্যা দেখা দিলে তা মেটাতে হচ্ছে। কান্দি শহরের রাস্তাঘাট খুবই সংকীর্ণ। সেজন্য পুজোর কটাদিন স্বেচ্ছাসেবকের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এই ওয়ার্ডে একমাত্র বাড়ির পুজো কমিটির সদস্য বিমান ভট্টাচার্য বলেন, পুরসভা থেকে আমাদের পুজোয় ১০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। কান্দি নেতাজি বাস টার্মিনাস থেকে দক্ষিণ দিকের রাস্তা ধরলেই গার্লস স্কুলের কাছে থেকে শুরু হয় ২ নম্বর ওয়ার্ড। দর্শনার্থীরা ওই সামান্য রাস্তা হেঁটে কিংবা টোটোতেও আসতে পারেন। ওয়ার্ডে ঢুকলে পোস্টারে মাধ্যমে কোথায় কোন ঠাকুর রয়েছে তার দিক নির্দেশাবলী থাকবে।