নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: মহিলা সাংসদকে জাত তুলে গালিগালাজ করার মামলায় এক শিক্ষক দম্পতিকে দু’বছরের কারাদণ্ড দিল চুঁচুড়া আদালত। যদিও, সাজা মেলার পরে ছাড়াও পেয়ে গেলেন তাঁরা! সৌজন্যে নয়া ন্যায় সংহিতা।
নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: মহিলা সাংসদকে জাত তুলে গালিগালাজ করার মামলায় এক শিক্ষক দম্পতিকে দু’বছরের কারাদণ্ড দিল চুঁচুড়া আদালত। যদিও, সাজা মেলার পরে ছাড়াও পেয়ে গেলেন তাঁরা! সৌজন্যে নয়া ন্যায় সংহিতা।
বৃহস্পতিবার সাজা ঘোষণা করা হলে চুঁচুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক সঞ্জয় শর্মা তাঁদের দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে পাঁচ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিনও মঞ্জুর করা হয়। দম্পতির আইনজীবী মৃন্ময় মজুমদার জানান, তাঁদের ছোট ছোট দু’টি সন্তান রয়েছে, যা আদালত গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেছে। তিনি আরও বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারায় তিন বছরের কম সাজা হলে জামিন পাওয়া যায়। এই মামলাতেও সেই ভিত্তিতেই জামিন মঞ্জুর হয়েছে। যদিও, সরকারি আইনজীবী শঙ্কর গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, জামিন মিলেছে বটে। কিন্তু, দম্পতিকে উচ্চ আদালতে আপিল করতে হবে। সেখান থেকে সাজা মুকুব করতে হবে। কিন্তু, যদি সেখানে সাজা বহাল থাকে, তবে তাঁদের জেলে যেতে হবে।
আরামবাগের প্রাক্তন সাংসদ অপরূপা পোদ্দার ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রিষড়া থানায় ওই মামলা করেছিলেন। ওই দিন নাসিম আখতার ও আনসারি খাতুনের রিষড়ার বাড়িতে অসামাজিক কাজ চলার অভিযোগ এসেছিল। তদানীন্তন সাংসদ অপরূপা পোদ্দার ও তাঁর কাউন্সিলার স্বামী সেদিন সেখানে যান। তখনই ওই নাসিম ও তাঁর স্ত্রী, সাংসদকে জাত তুলে গালিগালাজ করেন। সেই মামলাতেই বিচারক সঞ্জয় শর্মা বুধবার ওই দু’জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। বৃহস্পতিবার তিনি সাজা ঘোষণা করেন।