Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সাড়ে ১১ হাজার দুষ্প্রাপ্য মুদ্রা সহ মহিলা গ্রেপ্তার ঠাকুরপুকুরে

ঠাকুরপুকুরে এক মহিলার কাছ থেকে দুষ্প্রাপ্য মুদ্রা ও কয়েন উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শম্পা দাস নামে ওই মহিলার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এনে তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঠাকুরপুকুর থানা।

সাড়ে ১১ হাজার দুষ্প্রাপ্য মুদ্রা সহ মহিলা গ্রেপ্তার ঠাকুরপুকুরে
  • ২২ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঠাকুরপুকুরে এক মহিলার কাছ থেকে দুষ্প্রাপ্য মুদ্রা ও কয়েন উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শম্পা দাস নামে ওই মহিলার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এনে তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঠাকুরপুকুর থানা। কীভাবে সে দুষ্প্রাপ্য মুদ্রাগুলি পেল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আর বস্তা ভর্তি কয়েন কি কাজে ব্যবহার হতো জানার চেষ্টা করছে পুলিস। প্রাথমিকভাবে পুলিসের সন্দেহ, এগুলি ব্লেড বা চামচ তৈরির কারখানায় পাঠাত ওই মহিলা।  ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে।

Advertisement

পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শম্পা নামে ওই মহিলা ঠাকুরপুকুর এলাকায় পুলিস আবাসন থেকে কাজ সেরে বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরছিল। তার কাছে বড় একটি বস্তা ছিল। যেটা টেনে নিয়ে যেতে ওই মহিলার অসুবিধা হচ্ছিল। পথচারীদের সন্দেহ হয়। তাঁরা ওই মহিলাকে আটক করে বস্তা খুলে দেখেন, প্রচুর খুচরো রয়েছে। সঙ্গে পাওয়া যায় বিভিন্ন আমলের দুষ্প্রাপ্য মুদ্রা। স্থানীয়রা দাবি করেন, ১১ হাজার ৪০০টি দুষ্প্রাপ্য মুদ্রা ছিল। এগুলি বিভিন্ন যুগের। এরপর তাঁরা ঠাকুরপুকুর থানায় খবর দেন। পুলিস এসে বস্তা সহ ওই মহিলাকে নিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে চুরির মামলা রুজু হয়।
তদন্তে নেমে পুলিস জেনেছে, মহিলা বিভিন্ন বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে। বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে ধোয়ামোছা করে থাকে। মহিলার স্বামী ঠাকুরপুকুর থানায় ফাই ফরমাস খাটেন। তদন্তকারীদের অনুমান, শম্পা এই দুষ্প্রাপ্য মুদ্রাগুলি কোনও বাড়ি থেকে চুরি করেছে। আর খুচরো গুলিও কোনও জায়গা থেকে চুরি করেই নিয়ে এসেছে। তদন্তকারীরা জেনেছেন, ঠাকুরপুকুর সংলগ্ন এলাকায় চামচ ও  ব্লেড  তৈরির বেশ কিছু ছোটখাট কারখানা আছে। সেই সব কারখানা মুদ্রা কেনে। একাধিক ব্যক্তি এগুলি সরবরাহ করে থাকেন টাকার বিনিময়ে। 
এই ধরনের কারখানার সঙ্গে শম্পার যোগাযোগ আছে মনে করছেন তদন্তকারীরা। অভিযুক্ত মহিলা এই বিষয়ে স্পষ্ট উত্তর না দেওয়ায় রহস্য আরও  বেড়েছে। বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে আলিপুর আদালতে তোলা হলে লিগাল এইডের আইনজীবী সৈকত রক্ষিত বলেন, শম্পাকে এগুলি রাখতে  দিয়েছিল একজন। সরকারি আইনজীবী সাজ্জাদ আলি খান বলেন, অভিযুক্ত এগুলি কোথা থেকে পেল, তার নথি দেখাতে পারেনি। সওয়াল শেষে মহিলাকে পুলিস হেফাজতে পাঠায় আদালত।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ