আইএফএ শিল্ড। নামের মধ্যেই ঐতিহ্য। ১৮৯৩ সালে পথ চলা শুরু হয়েছিল এই প্রতিযোগিতার। শিল্ড ঘিরে ময়দানে রাশি রাশি নস্টালজিয়া। আর তা নিয়েই কলম ধরলেন প্রাক্তন ফুটবলার দেবাশিস মুখার্জি
আইএফএ শিল্ড। নামের মধ্যেই ঐতিহ্য। ১৮৯৩ সালে পথ চলা শুরু হয়েছিল এই প্রতিযোগিতার। শিল্ড ঘিরে ময়দানে রাশি রাশি নস্টালজিয়া। আর তা নিয়েই কলম ধরলেন প্রাক্তন ফুটবলার দেবাশিস মুখার্জি
প্রতিপক্ষের ডেরায় ম্যাচ জয়ের অনেক নিদর্শন রয়েছে। তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মাঠে ট্রফি জয়ের সৌভাগ্য খুব কম ফুটবলারের হয়েছে। ১৯৮৯ সালে সেই ইস্ট বেঙ্গল মাঠে আইএফই শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হয় মোহন বাগান। ফাইনালে টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমিকে ১-০ গোলে হারাই আমরা। তার আগে সেমি-ফাইনালে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের বিরুদ্ধেও মোহন বাগান জেতে।
সেবার ক্লাবের শতবর্ষ। সোনায় বাঁধানো দল। বাঙালি ফুটবলারদের ভিড়। আমি, সুমিত, অচিন্ত্য, বাবলুদা, অলোক, সত্যজিৎ, প্রশান্তদা, শিশির— কাকে ছেড়ে কার নাম বলব। প্রতিপক্ষ টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমির সেটা ছিল প্রথম ব্যাচ। গোটা টুর্নামেন্টে ওরাও দারুণ ফুটবল খেলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ফাইনালে লড়াইটা মোটেই সহজ ছিল না। তার উপর, ইস্ট বেঙ্গল মাঠে খেলা হওয়ায় একটা চাপ তো ছিলই। ম্যাচের শুরু থেকেই তুল্যমূল্য লড়াইয়ের মুখে পড়তে হয়। তার মধ্যেও দাপট দেখায় মোহন বাগান। পাই কাঙ্ক্ষিত লিডও। তবে শেষ ১৫ মিনিট একের পর এক আক্রমণ তুলে আনে টিএফএ। এই পর্বে বেশ কয়েকবার একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে দলকে গোল হজমের হাত থেকে বাঁচিয়েছিলাম। এমনকী, সংযোজিত সময়ে প্রতিপক্ষের বিষ মাখানো কর্নার হেডে বিপন্মুক্ত করে বাবলুদা। ম্যাচ জয়ের পর সমর্থকদের কাঁধে চেপেই ফিরি মোহন বাগান তাঁবুতে।