নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: এবার কি এনটিএর (ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি) স্বশাসন কেড়ে নেওয়ার পথে হাঁটতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার? সরকারি সূত্রের খবর, প্রয়োজনে এনটিএর স্বায়ত্তশাসন কেড়ে নিয়ে এর পরিচালনগত যাবতীয় দায়িত্ব সরাসরি হাতে নিতে পারে শিক্ষামন্ত্রক। যদিও এব্যাপারে এখনো পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে স্বশাসন কেড়ে নেওয়া হলে সংসদে এসংক্রান্ত সংশোধনী বিল নিয়ে আসার চিন্তাভাবনা শুরু করবে মোদি সরকার। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির স্বশাসন শেষমেশ কেড়ে নেওয়া হোক বা না হোক, এনটিএর উপর নজরদারি আরো বৃদ্ধি করছে কেন্দ্রীয় সরকার।
সরকার মনে করছে, একের পর এক যেসব ঘটনা ঘটেছে, তাতে কেন্দ্রের মুখ পোড়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। আর প্রতিটিরই কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পরীক্ষা আয়োজককারী সংস্থা এনটিএ। আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত সহ একাধিক রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। তার আগে নতুন করে আর ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইছে না বিজেপি। এমন প্রেক্ষাপটে তাই ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সিকে একপ্রকার ‘নজরবন্দি’ করে ফেলার মতো পরিকল্পনা করেছে মোদি সরকার।
জানা যাচ্ছে যে, শুধুই কয়েকশো বিষয়-বিশেষজ্ঞকে সরানো নয়। আপাতত এনটিএর দৈনন্দিন প্রত্যেক কাজের বিষয়ে রিপোর্ট নেবে মোদি সরকার। নিয়মিতভাবে সেইসব রিপোর্ট খতিয়ে দেখবেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি স্বয়ং। মঙ্গলবারই এনটিএ আধিকারিকদের সঙ্গে একটি ফলো-আপ বৈঠক করেছেন তিনি। সেখানেই তাঁকে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই সংস্থার ৬০০ জন সাবজেক্ট এক্সপার্টকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী দু’থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ২০-২৫ জন উচ্চ পর্যায়ের আধিকারিক নিয়োগ করতে চলেছে এনটিএ। আগামীতে যেসব পরীক্ষার আয়োজন এনটিএ করবে, তার প্রতিটির প্রশ্নপত্র চার-স্তরীয় নজরদারির মধ্যে দিয়ে যাবে।