Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

জাপানে সমুদ্রগর্ভে পিরামিড, বদলাবে সভ্যতার ইতিহাস?

সমুদ্রের ৮২ ফুট নীচে বিশালাকার পিরামিডের মাথা! উচ্চতা ৯০ ফুট। নিছক গল্প নয়, জাপানের রিউকউ দ্বীপের উপকূলের কাছে জলে ডুব দিলেই এই দৃশ্য দেখা যাবে।

জাপানে সমুদ্রগর্ভে পিরামিড, বদলাবে সভ্যতার ইতিহাস?
  • ১৫ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

টোকিও: সমুদ্রের ৮২ ফুট নীচে বিশালাকার পিরামিডের মাথা! উচ্চতা ৯০ ফুট। নিছক গল্প নয়, জাপানের রিউকউ দ্বীপের উপকূলের কাছে জলে ডুব দিলেই এই দৃশ্য দেখা যাবে। পাথর দিয়ে তৈরি ধাপওয়ালা এই পিরামিডের নাম ইয়োনাগুনি মনুমেন্ট, যার বয়স হতে পারে কমপক্ষে ১২ হাজার বছর। এটা কি নিছক মানুষের সৃষ্টি? নাকি প্রকৃতির উপহার? কয়েক দশক ধরে তারই হদিশ চালাচ্ছে ঐতিহাসিক মহল। মিশরের আগেই কি জাপানে তৈরি হয়েছিল পিরামিড? এই প্রশ্নের উত্তর মিললে মুহূর্তে বদলে যেতে পারে প্রাচীন সভ্যতার চিরাচরিত ধারণা। নতুন করে লিখতে হতে পারে ইতিহাস। 

Advertisement

১৯৮৬ সালে প্রথমবার দেখতে পাওয়া যায় সমুদ্রের তলায় অবস্থিত এই পিরামিডকে। তারপর থেকেই তৈরি হয়েছে হাজার জল্পনা। পিরামিডের গঠন নিয়ে বিস্তর গবেষণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের একাংশের দাবি, এটা মানুষের তৈরি। কোনও এক সময় জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় এই স্থাপত্যের সলিল সমাধি হয়েছিল। বড়সড় প্রাকৃতিক বিপর্যের কারণেও এমনটা ঘটে থাকতে পারে বলেও বিশ্বাস ভূবিজ্ঞানীদের। 
ইতিমধ্যে পিরামিডের পাথর পরীক্ষা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই প্রস্তরখণ্ডের বয়স ১০ হাজার বছরের বেশি। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, চাষাবাদ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে এই আকারের স্থাপত্য নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। এক অংশের আবার দাবি, এই পিরামিড প্রাকৃতিক সৃষ্টি ছাড়া কিছুই নয়। সম্প্রতি এবিষয়ে রীতিমতো বচসায় জড়িয়েছিলেন লেখক গ্রাহাম হ্যানকক ও প্রত্নতত্ত্ববিদ ফ্লিন্ট ডিবল। ২০২৪ সালে একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে ডিবল বলেন, ‘প্রকৃতির একাধিক অভিনব নির্মাণ প্রত্যক্ষ করেছি। এখানে মানুষের কোনও ভূমিকা দেখতে পারছি না।’ হ্যানকক তা মানেননি। বিতর্ক চলতেই থাকবে। তারইমধ্যে সমুদ্রের বুকে এক প্রাচীন শহরের খোঁজ চালাবেন বিশেষজ্ঞরা। উত্তরের অপেক্ষায় মানব সভ্যতার ইতিহাস।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ