সংবাদদাতা, বারুইপুর: স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্কের কথা জেনে যাওয়ায় খুন হতে হল বিজেপির এক কর্মীকে। বাড়ি থেকে ৩০ মিটার দূরে একটি পুকুরের পাড় থেকে উদ্ধার হল তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ। মৃতের নাম কিশোর দাস (৩৯)। ঘটনাটি ঘটে সোমবার গভীর রাতে রায়দিঘি থানার দিঘিরপাড় বকুলতলা পঞ্চায়েতের মেনা এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে রায়দিঘির বিজেপি প্রার্থী পলাশ রানা নিহতদের বাড়ি যান। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই পরিকল্পনা করে কিশোর দাসকে খুন করেছে। কিন্তু পুলিশি তদন্তে রাজনৈতিক রং নয়, উঠে আসে পরকীয়ার প্রসঙ্গ। স্ত্রীর পরকীয়ার সম্পর্কের কথা কিশোর জেনে ফেলায় তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে দু’জন। জেরায় বিজেপি কর্মীর স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিক স্বীকার যে, তারাই ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করেছে কিশোরকে। নির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ দু’জনকেই গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম অনিমা দাস ও গোবিন্দ হালদার। গোবিন্দ হালদার তৃণমূলের বুথ সভাপতির ভাই। এদিকে, এই প্রসঙ্গে মথুরাপুর লোকসভার সাংসদ বাপি হালদার বলেন, তৃণমূল খুনের রাজনীতি করে না। বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ তুলে এলাকাকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে।



