নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: জনগণনার কাজে ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে নারাজ। মোবাইল ফোন নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মতামত জানতে আরটিআই করেছেন বিপ্লব কর্মকার নামে রায়গঞ্জের ভাতঘরা কাটিহার এফপি স্কুলের এক শিক্ষক। শিক্ষকের এমন প্রশ্নে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রশাসনিক মহলেও। শিক্ষকের দাবি, সরকারিভাবে তাঁর প্রশ্নের কোনো সদুত্তর তিনি পাননি। প্রশ্ন ছিল, প্রাইমারি স্কুল শিক্ষকের ফোন, সরকারি দপ্তরের না ব্যক্তিগত সম্পত্তি? বিপ্লববাবুর বক্তব্য, জনগণনায় শিক্ষক সহ সরকারি কর্মীদের নিজস্ব মোবাইল ফোন ব্যবহারের জন্য বলা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, রোজগারের টাকায় কেনা ব্যক্তিগত ফোন কেন সরকারি কাজে ব্যবহার হবে? সরকার যেমন বিভিন্ন কাজের জন্য নিজস্ব যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে। সরকারি আধিকারিকরা যেমন সরকারি ল্যাপটপ, গাড়ি ব্যবহার করেন, তেমনই জনগণনার মতো সরকারি কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও সরকারিভাবেই কেন দেওয়া হবে না? এই সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর তিনি জানতে চেয়েছিলেন দপ্তরের কাছে। কিন্তু কোনো প্রশ্নের সদর্থক উত্তর না পেয়ে তিনি হতাশ। উত্তর দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, আমরা শনিবার থেকেই জনগণনার সেলফ ইনিউমারেশন ফর্ম মোবাইল ফোনে ফিলাপ করানোর কাজ শুরু করেছি। সরকারি কর্মীদের মধ্যেও এনিয়ে প্রচার হয়েছে। একাংশ নিজেরাও সেটা শিখেছেন।



