নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়ানোর লক্ষ্যে জিএসটির কাঠামো ঢেলে সাজার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সরকার দাবি করেছে, জনসাধারণের জন্য জিএসটির হারের বদল দেওয়ালির উপহার হিসেবে আসবে। তবে জিএসটির নতুন হার কী হবে, সেই বিষয়ে এখনও কোনও সরাকারি ঘোষণা নেই। এই বিষয়ে আলোচনা করতে আগামী মাসের গোড়ায় বসতে চলেছে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক। কিন্তু গোটা বিষয়টি কেন দেওয়ালি পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে গাড়ির ডিলারদের সর্বভারতীয় সংগঠন ফেডারেশন অব অটোমোবাইল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনস বা ফাডা। তাদের বক্তব্য, আগামী দিনে যে উৎসবের মরশুম আসছে, তা শুধু দেওয়ালিতেই সীমাবদ্ধ, তা নয়। গণেশ চতুর্থী থেকে সেই উৎসব-পর্ব শুরু হচ্ছে, যা ওনাম, দুর্গাপুজো, নবরাত্রি হয়ে দেওয়ালিতে পৌঁছবে। বরাবরই দেশে উৎসবকে কেন্দ্র করে গাড়ির বাজার চাঙ্গা হয়। সেই উৎসবের দিকে নজর রেখে ডিলাররাও ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে ‘স্টক’ বা শোরুমে গাড়ির সম্ভার বাড়িয়ে রেখেছে। ডিলার কর্তাদের বক্তব্য, ক্রেতারা তাঁদের কাছে বারবার জানতে চাইছেন, নতুন জিএসটির হার কত হবে এবং তা কবে কার্যকর হবে। ফলে গাড়ি বিক্রি কিছুটা মন্থর হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জিএসটির হার নিয়ে অস্পষ্টতা জিইয়ে রাখলে, ক্রেতারাও কেনাকাটা নিয়ে অস্বচ্ছতা ও সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবেন। পাশাপাশি ডিলারদেরও আর্থিক ক্ষতি হবে। তাদের আর্জি, জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক থেকে শুরু করে করের হার চূড়ান্ত করার বিষয়টি উৎসবের মরশুমের গোড়াতেই চূড়ান্ত করা হোক। দেওয়ালি পর্যন্ত সময় নেওয়ার পক্ষে নয় ডিলাররা। তাতে গাড়ির বাজার সুষ্ঠু হবে। ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েই লাভবান হবেন। গাড়ি ও যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিও আর্থিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবে।



