Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিতে যাওয়ার পথেই দুর্ঘটনা, ট্রেন ছেড়ে বাসে উঠতে গেল কেন ঋতম? আক্ষেপ মামার

দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিতে যাওয়ার পথেই দুর্ঘটনা, ট্রেন ছেড়ে বাসে উঠতে গেল কেন ঋতম? আক্ষেপ মামার
  • ২০ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: বুধবারই শেষ হয়েছে দ্বিতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা। তিন বন্ধু ঠিক করে রেখেছিলেন, পরীক্ষা হয়ে গেলে পুজো দিতে যাবেন দক্ষিণেশ্বরে। সেই মতো বৃহস্পতিবার সকালে বাগনান থেকে সেই অভিশপ্ত বাসে উঠেছিলেন বাগনানের পানিত্রাসের অধিকারীপাড়ার বাসিন্দা ঋতম মাঝি (২১)। শেষ অবধি তাঁর আর মা ভবতারিণীর মন্দিরে যাওয়া হল না। দুর্ঘটনায় নিথর হয়েছে ঋতমের শরীর। তাঁর এক বন্ধু গুরুতর জখম হওয়ায় তাঁকে পরে কলকাতার এক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

Advertisement

ঋতম ওই পরিবারের একমাত্র সন্তান। পরাশোনার পাশাপাশি ফটোগ্রাফি ছিল তাঁর নেশা। ভালো ছেলে হিসেবে পরিচিত এই পড়ুয়া উলুবেড়িয়ার একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বি-ফার্মের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তাঁর মামা অনুপম হাজরা বলেন, ভাগ্নে প্রতিদিন ট্রেনে করেই কলেজে যেত। দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিতে যাবে বলে বাড়ি থেকে সাইকেল নিয়ে দেউলটি স্টেশনে যায়। সেখান থেকে ট্রেনে যায় বাগনান। ওরা তিন বন্ধু সেখান থেকে বাস ধরেছিল। তাঁর কথায়, এদিন সকালে দুর্ঘটনার পর আমাকে ঋতমের ছবি দেখানো হয়েছিল। ছবিটি ছোট ছিল বলে প্রথমে বুঝতে পারিনি। পরে ভেবেছিলাম, ও তো ট্রেনে যাতায়াত করে, বাসে উঠতে যাবে কেন! পরে বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ বাগনানে এসে জানতে পারি, ভাগ্নে মারা গিয়েছে। মন থেকে কিছুতেই মানতে পারছি না। ঋতমের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা পাড়া। প্রতিবেশী অমিত হালদার বলেন, আমার ছেলে অয়নের খুব ভালো বন্ধু ছিল ঋতম। আমার ছেলে এখন বারাসতে থাকে। বাড়ি আসার সময় বাসেই যাতায়াত করে। এই ঘটনার পর এদিন ওকে আর বাসে যেতে দিইনি। - ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ