নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: হলদিয়ার শিল্পে শুধু নন্দীগ্রামের বাসিন্দাদের চাকরি কেন, প্রশ্ন তুললেন হলদিয়া, সুতাহাটা সহ বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা। একই প্রশ্নে সরব হল সিপিএম, কংগ্রেসের মতো রাজনৈতিক দলগুলিও। বিধানসভা উপ নির্বাচনের আগে যেভাবে হলদিয়া শিল্পাঞ্চলে শুধুমাত্র নন্দীগ্রামের যুবক-যুবতীদের নিয়োগের ব্যাপারে তোড়জোড় শুরু হয়েছে, তা ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। প্রশ্ন উঠছে, জমি দিয়ে উদ্বাস্তু হওয়া, কারখানার ধোঁয়া, দূষণ সহ্য করে জীবনযুদ্ধে টিকে থাকা হলদিয়ার যুবকদের বঞ্চিত করা হবে কেন? এনিয়ে জেলায় হইচই শুরু হয়েছে। হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক প্রদীপ বিজলি বলেন, প্রশাসনের এই উদ্যোগ সম্পর্কে সবটা আমার জানা নেই। এনিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। হলদিয়া পুরসভার ২৫নম্বর ওয়ার্ডের হাতিবেড়িয়ার চন্দন জানা রেনুকা সুগার ফ্যাক্টরিতে ১০-১২বছর কাজ করতেন। রাজনৈতিক কারণে সেই কাজ ছাড়তে হয়েছে। এখন বাড়ি বাড়ি ওয়ারিংয়ের কাজ করেন। সুতাহাটা থানার আদদতলা পঞ্চায়েতের অনন্তপুর গ্রামের পরিতোষ দাস ইসিএলে চাকরি করতেন। ইউনিয়নের চাপে তাঁরও কাজ গিয়েছে। এখন স্থানীয় এক রেশন ডিলারের দোকানের কর্মী। চন্দন, পরিতোষ বলেন, হলদিয়ার কারখানায় এখানকার যুবকদের সুযোগ না দিয়ে নন্দীগ্রামের যুবক-যুবতীদের নিয়োগের এই উদ্যোগ দুর্ভাগ্যজনক। যে নন্দীগ্রাম একসময় শিল্প হতে দেয়নি আজ সেই নন্দীগ্রামের যুবকদের হলদিয়ায় শিল্পে নিয়োগ করা হবে। অথচ, সেই নিয়োগে সুযোগ পাবেন না হলদিয়া সহ অন্য এলাকার বাসিন্দারা। এরচেয়ে দুর্ভাগ্য কিছু হতে পারে না।



