নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূলকে হারিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। এখন তারাই শাসক দল। বাংলায় বিজেপির সরকার গঠন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। প্রধান বিরোধী দলের আসনে এবার তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের কৌতূহল, বিরোধী দলনেতা কে হবেন?
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূলকে হারিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। এখন তারাই শাসক দল। বাংলায় বিজেপির সরকার গঠন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। প্রধান বিরোধী দলের আসনে এবার তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের কৌতূহল, বিরোধী দলনেতা কে হবেন?
তৃণমূলের অন্দরে একাধিক নাম নিয়ে চর্চা চলছে। কেউ কেউ বলছেন, বর্ষীয়ান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পরিষদীয় রাজনীতি সম্পর্কে অভিজ্ঞ। বিরোধী দলনেতা হিসেবে তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। দীর্ঘদিনের রাজনীতিক ফিরহাদ হাকিমেরও নাম রয়েছে এই তালিকায়। বিধানসভায় দীর্ঘদিন ধরে স্পিকারের ভূমিকা পালন করেছেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে চর্চা চলছে তাঁর নাম নিয়েও।
তৃণমূলের একটা অংশের মত, এই দায়িত্ব কুণাল ঘোষকে দেওয়া হতে পারে। কেননা দলের পক্ষে কুণালের সাম্প্রতিক সওয়াল অনেকের কাছেই প্রশংসিত হয়েছে। ফলে কুণাল বিরোধী দলনেতা হলে তিনি আরো বেশি কথা বলতে পারবেন। তবে তৃণমূল নেতৃত্ব আরো একাধিক বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে—সদস্যের বয়স, পরিষদীয় রাজনীতিতে অভিজ্ঞতা, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছোটাছুটি করার ক্ষমতা-দক্ষতা প্রভৃতি। এসব দিক বিবেচনা করেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হবে।
দলের তরফে অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেই সমস্ত দায়িত্ব ন্যস্ত হয়েছে। বিরোধী দলনেতা এবং বিরোধী দলের মুখ্য সচেতক ও অন্যান্য সংসদীয় পদ কারা অলংকৃত করবেন, সবটাই ঠিক করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।