Bartaman Logo
৯ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

বাচ্চাদের খাওয়ানোর বেলায় কী কী সাবধানতা?

বাচ্চাদের খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি। কীভাবে স্বাস্থ্যকর খাবার দেবেন, জানুন ডাঃ জয়দেব রায়ের পরামর্শ। বিস্তারিত পড়ুন।

বাচ্চাদের খাওয়ানোর বেলায় কী কী সাবধানতা?
  • ৯ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ছোটদের খাওয়াতে কী কী সাবধানতা নেবেন? জানালেন ইনস্টিটিউট অব চাইল্ড হেলথ-এর অধ্যক্ষ বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ জয়দেব রায়।

Advertisement

০–৬ মাস
জন্মের পর প্রথম ছ’মাস শিশুর জন্য শুধু মায়ের দুধই যথেষ্ট। জল, মধু, গ্লুকোজের জল বা অন্য খাবারের প্রয়োজন নেই। 
খেয়াল রাখবেন ওজন বাড়ছে কি না এবং দিনে ছয় বা বেশিবার প্রস্রাব হচ্ছে কি না। 
৬ মাস–১ বছর
ছ’মাসের পরও মাতৃদুগ্ধ চলবে। সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়ির খাবারের সঙ্গে পরিচয় করানো উচিত। 
১–৫ বছর
বড়োদের মতোই খাবে। বেশি তেল, ঝাল, মশলা, লবণ এড়ানো উচিত। সবরকম খাবার যেন শিশুর প্লেটে থাকে। বাইরের খাবার দেওয়া চলবে না। ফাস্টফুড বা প্যাকেটজাত খাবার (চিপস) একেবারেই না। বাদাম, পপকর্ন, শক্ত ক্যান্ডি বা আঙুর জাতীয় ফল শ্বাসনালীতে আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। 
৬–১২ বছর
খালি পেটে শুধু বিস্কুট বা চিপস খেয়ে স্কুলে যাওয়া ঠিক নয়। ফিরে বা রাস্তায় খুব ঠান্ডা কিছু খাওয়া যাবে না। তবে ইদানীং বাচ্চাদের মধ্যে প্যাকেটজাত খাবারের চাহিদা বেড়েছে। এগুলির বেশিরভাগেই অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বি থাকে। নিয়মিত খেলে অস্বাভাবিক ওজন বেড়ে ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারে। তাই যতটা সম্ভব কম দিন চিপস, কোল্ড ড্রিঙ্কস, ক্যান্ডি, অতিরিক্ত চকোলেট, ইনস্ট্যান্ট নুডলস, বার্গার, পিৎজা, অতিরিক্ত প্রসেসড খাবার। 
কয়েকটি জরুরি কথা 
খাবার হতে হবে ঘন ও পুষ্টিকর। পাতলা স্যুপ বা শুধু ভাতের মাড় নয়। অতিরিক্ত শক্ত খাবারও নয়। রস নয় গোটা ফল দিন। এতে ফাইবার মিলবে। ও কামড়ে না খেতে পারলে ছোট টুকরো দিন। ও হ্যাঁ, আরও দুটি কথা বলি। এক, ওকে জোর করে খাওয়াবেন না। দুই, মোবাইল দেখিয়ে খাওয়াবেন না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ