Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ নিয়ে সংশয়ে ১৮ লক্ষ ৬৫ হাজার উপভোক্তা বাংলার বাড়ি প্রকল্পের ভবিষ্যৎ কী?

কেন্দ্র টাকা না দেওয়ায় বাংলার বাড়ি প্রকল্প চালু করেছিল পূর্বতন রাজ্য সরকার। রাজ্যে পালাবদলের সঙ্গে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বাংলার বাড়ি প্রকল্প নিয়েই? এ অবস্থায় দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাওয়া নিয়ে সংশয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন প্রায় ১৮ লক্ষ ৬৫ হাজার উপভোক্তা।

দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ নিয়ে সংশয়ে ১৮ লক্ষ ৬৫ হাজার উপভোক্তা বাংলার বাড়ি প্রকল্পের ভবিষ্যৎ কী?
  • ৭ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্র টাকা না দেওয়ায় বাংলার বাড়ি প্রকল্প চালু করেছিল পূর্বতন রাজ্য সরকার। রাজ্যে পালাবদলের সঙ্গে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বাংলার বাড়ি প্রকল্প নিয়েই? এ অবস্থায় দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাওয়া নিয়ে সংশয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন প্রায় ১৮ লক্ষ ৬৫ হাজার উপভোক্তা। 

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে ২০২২ সালে কঠোর যাচাই প্রক্রিয়া মাধ্যমে ২৮ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরি করেছিল রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তর। যাঁদের মধ্যে ১১ লক্ষের বাড়ি তৈরির জন্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রশাসনিক ছাড়পত্র দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু, মেলেনি আর্থিক অনুমোদন। দীর্ঘ আন্দোলন অনুরোধের পরেও মেলেনি একটি টাকাও। ফলে নিজস্ব প্রকল্প চালু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম পর্যায়ে ১১ লক্ষ ছাড়াও সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী হেল্পলাইনের মাধ্যমে আসা আবেদনের ভিত্তিতে আরও এক লক্ষকে মিলিয়ে মোট ১২ লক্ষকে বাড়ি তৈরির টাকা দেয় রাজ্য। দুই কিস্তিতে দেওয়া হয় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরো ২০ লক্ষকে এই প্রকল্পের প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা করে দেয় রাজ্য। জানুয়ারি মাসে সিঙ্গুরের সভা থেকে এই সুবিধা প্রদান করা হয়। কিন্তু, শেষমেষ ১৮ লক্ষ ৬৫ হাজারকে প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এনাদের সকলের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়ার কথা ছিল সেপ্টেম্বর মাসে। কিন্তু তার আগেই রাজ্যে পালাবদলের ফলে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাওয়া নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে এই সমস্ত উপভোক্তাদের মধ্যে। 
সেক্ষেত্রে নতুন সরকার তৈরি হলে নীতিগত কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্য প্রশাসন। কারণ, দ্বিতীয় কিস্তি মেটানোর লক্ষ্যে অনেকগুলি বিকল্প পথ খোলা রয়েছে। প্রথমত, নতুন সরকার এসে এই সমস্ত উপভোক্তাদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী মিটিয়ে দিল। আবার তারা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার সঙ্গে সংযুক্তি ঘটিয়ে তাঁদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দিল। সেক্ষেত্রে রাজ্যের বাংলার বাড়ির পোর্টালের সঙ্গে কেন্দ্রীয় আবাস সফট পোর্টালের সংযুক্তিকরণ খুব একটা কঠিন নয় বলেই সূত্রের খবর। তবে সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র দ্বিতীয় কিস্তির জন্য কেন্দ্র অনুমোদন দেবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এই সমস্ত বিকল্পই নতুন মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হবে এবং নতুন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে বলেই প্রশাসনিক মহলের বক্তব্য।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ