সংবাদদাতা, বজবজ : জলের মিটার চুরির বহর চিন্তা বাড়াচ্ছে পুর প্রশাসনের। ঘটনাটি বজবজ পুরসভার। কীভাবে মিটার চুরি বন্ধ করা যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে প্রশাসন।
সংবাদদাতা, বজবজ : জলের মিটার চুরির বহর চিন্তা বাড়াচ্ছে পুর প্রশাসনের। ঘটনাটি বজবজ পুরসভার। কীভাবে মিটার চুরি বন্ধ করা যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে প্রশাসন।
পুরসভার তরফে বাড়িতে দিনে মাথা পিছু ১৩৫ লিটার জল দেওয়া হয়। বজবজ পুরসভা ইতিমধ্যেই নতুন ১১ হাজার বাড়িতে জলের সংযোগ দিয়েছে। সেখানে ঠিকমতো জল যাচ্ছে কি না, তা দেখতে মিটার বসিয়েছে পুরসভা। কিন্তু এর মধ্যেই একের পর এক মিটার চুরি যাচ্ছে। কোথাও মিটার ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে ৫০টির বেশি নতুন মিটার চুরি গিয়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডের গলিতে মিটার রয়েছে। যেখানে সিসি ক্যামেরা নেই। তাই বোঝা যাচ্ছে না, কারা মিটার ভাঙছে বা খুলে নিয়ে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, নেশার টাকা জোগার করতেই চুরি করা হচ্ছে মিটার।
বজবজ পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, জলের অপচয় রুখতে মিটার বসানোর পরিকল্পনা সরকার নিয়েছে। বজবজ পুরসভা এলাকায় সাড়ে ১৩ হাজার বাড়িতে নতুন সংযোগ দেওয়ার কাজ চলছে। তার মধ্যে ১১ হাজার বাড়িতে সংযোগ দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। সেখানে মিটারও বসানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, একই বাড়িতে ছেলে ও বাবা-মা পৃথক থাকলে আলাদা আলাদা নামে সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। এই হিসেবে ১১ হাজার নতুন সংযোগের কাজ শেষ। এখন বাকি সাড়ে তিন হাজার সংযোগ দেওয়ার কাজ চলছে। পুর চেয়ারম্যান গৌতম দাশগুপ্ত বলেন, ওই মিটার থেকে আগামী দিনে মাসিক রিডিংয়ের সাহায্যে প্রতিটি বাড়িতে সরকারি নিয়মে জল পাচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করাটাই লক্ষ্য। পাশাপাশি, নিয়মের বাইরে গিয়ে জল বেশি খরচ হচ্ছে কি না, তাও ধরা যাবে। কিন্ত এখন থেকে যদি মিটার চুরি হতে থাকে তাহলে সমস্যা তৈরি হবে। ওয়ার্ড কমিটিকে বলা হয়েছে বিষয়টি দেখার জন্য। চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, মিটার বসলেও রিডিং নেওয়ার পরিকাঠামো তৈরির কাজ এখনও হয়নি। তা পরবর্তী ধাপে হবে। কিন্তু তার আগে মিটার বসানোর কাজ শেষ করে ফেলতে চাইছি।