Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভূতনিতে জল নামছে, সমস্যার মাঝেও মায়ের আগমনের প্রস্তুতি

ভূতনিতে জল নামছে, সমস্যার মাঝেও মায়ের আগমনের প্রস্তুতি
  • ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

 সাগর রজক, মানিকচক: চেষ্টার অন্ত নেই। কিন্তু বাধ সাধছে প্রকৃতি। রাজ্যজুড়ে চলছে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ও শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সেখানে মালদহের ভূতনিতে জলযন্ত্রণা ভুলে এতদিনে মায়ের আগমণের আয়োজনে নামলেন উদ্যোক্তারা। প্রতিমা এবং মণ্ডপের কাজ শেষ করতে এখন চরম ব্যস্ততা ভূতনিজুড়ে। এলাকায় জমে থাকা জলের স্তর কমলেও অনেক পুজো মণ্ডপের সামনে রয়েছে নদীর জল। কয়েক দিনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে ধরে নিয়ে প্রস্তুতি চলছে বলে দাবি উদ্যোক্তাদের।

Advertisement

এক মাসেরও বেশি গঙ্গা ও ফুলহারের জলে ডুবে ভূতনির তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা। এই পরিস্থিতিতে পুজোর আয়োজন কীভাবে হবে, ভীষণ চিন্তায় ছিলেন উদ্যোক্তারা। আশঙ্কা নিয়েই শুরু হয়েছিল প্রতিমা তৈরির কাজ। কিছুটা এগিয়েছিল মণ্ডপের কাজও। কিন্তু এক সপ্তাহ আগে পশ্চিম রতনপুরের বাঁধ ভেঙে গঙ্গার জল হুহু করে ঢুকে বন্যা পরিস্থিতি সব হিসেব পাল্টে দিয়েছে। পুজোর আয়োজন অনিশ্চিত ধরে মাথায় হাত পড়েছিল উদ্যোক্তাদের। গঙ্গার জলে মন্দিরসহ প্যান্ডেলের কাঠামো জলে ডুবে নাজেহাল পরিস্থিতি হয়। সুরক্ষিত রাখতে উঁচু জায়গায় নিয়ে যাওয়া, কিছু জায়গায় জলের মধ্যে মাচা করে রাখা হয় প্রতিমা। শেষপর্যন্ত বাসিন্দারা ভেবেছিলেন হয়তো সাদামাটা করেই এবার পুজোর আয়োজন করতে হবে। কিন্তু দক্ষিণ চণ্ডীপুরের কাটা বাঁধ দিয়ে জল বের করার ব্যবস্থা করায় উন্নতি হচ্ছে পরিস্থিতির। যার ফলে আশায় বুক বাঁধছেন পুজো উদ্যোক্তারা। ভূতনির উত্তর ও দক্ষিণ এবং হীরানন্দপুর অঞ্চলজুড়ে প্রায় ২২টি দুর্গাপুজো হয়। রাজ্য সরকারের অনুদান এবং চাঁদার টাকায় সব আয়োজন করা হতো। কিন্তু এবার একদম সময় নেই হাতে। বন্যা পরিস্থিতিতে এলাকার বেশিরভাগ বাসিন্দা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চাঁদা নেওয়া হবে না বলে ঠিক করেছেন উদ্যোক্তারা। তাই রাজ্য সরকারের দেওয়া ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা অনুদানই তাদের ভরসা। হীরানন্দপুরের আমতলা নন্দীটোলা দুর্গোৎসব কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজেশ মণ্ডল বলেন, গত বছরের মতো এবারও বন্যার কারণে ঠিকমতো পুজোর আয়োজন করতে পারছি না। এখনও মণ্ডপের সামনে এক হাঁটু জল। কয়েক দিনে জল আরও নামবে বলে আশা। প্রতিমা তৈরি হলেও মণ্ডপে জল থাকায় দ্রুত কাজ করা যাচ্ছে না।  ভূতনির জলে  ভরে রয়েছে হিরানন্দপুরের আমতলা নন্দীটোলা দুর্গোৎসব কমিটির মণ্ডপ।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ