Bartaman Logo
১১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শৌচাগারের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে জনবসতি এলাকায়, নাজেহাল দেগঙ্গার বাসিন্দারা

বসবাসের এলাকাতেই দিনের পর দিন ফেলা হচ্ছে শৌচাগারের বর্জ্য। সারাক্ষণ দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে থাকতে হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। সমস্যার নিরসনে তাঁরা বারবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

শৌচাগারের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে জনবসতি এলাকায়, নাজেহাল দেগঙ্গার বাসিন্দারা
  • ২০ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বসবাসের এলাকাতেই দিনের পর দিন ফেলা হচ্ছে শৌচাগারের বর্জ্য। সারাক্ষণ দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে থাকতে হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। সমস্যার নিরসনে তাঁরা বারবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এদিকে, এর ফলে এলাকায় দূষণের বাড়বড়ন্ত শুরু হয়েছে। হাঁস, মুরগি সহ গবাদি পশু মারা যাচ্ছে। বলে অভিযোগ। এমনকী, এই কারণে এলাকায় বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বাড়ছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের। দেগঙ্গা ১ নম্বর পঞ্চায়েতের হাসিয়া গ্রামের এই ঘটনায় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত। প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করুক, এই দাবি তুলছেন তাঁরা। উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন বিডিও।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসিয়া এলাকার এক দাপুটে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা অবশ্য লম্বা। জমির মাটি কেটে পাচার, সেখানে ভেড়ি তৈরি, এলাকার মানুষ বাধা দিলে তাদের হুমকি দেওয়ার মতো নানা অভিযোগ রয়েছে। তাঁর ভয়ে এলাকার মানুষ মুখ খুলতে সাহস পান না। তবে এবার গ্রামবাসীরাই এতটাই জেরবার হয়ে উঠেছেন যে অনেকেই বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজা বিবি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই এখানে এসব ফেলা হচ্ছে। দুর্গন্ধে আমরা থাকতে পারছি না। শতাধিক পরিবার ভুগছে। গবাদি পশুও অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছে এই করেণে। তৃণমূল নেতা এই কাজ করছে বলে প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না।’ ফারুক রহমান নামে আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘এলাকার চাষের জমির মাটি গায়ের জোরে কেটে পাচার করছেন ওই তৃণমূল নেতা। শৌচাগারের আবর্জনা ফেলছেন জমিতে। উনি একটা পদে আছেন, তাই যা ইচ্ছা করছেন। আমরা এই সমস্যার কথা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জানিয়েছি। কোনও সুরাহা পাচ্ছি না। উল্টে ওই নেতা আমাদের বলছেন পুলিস, প্রশাসন সব নাকি তাঁর লোক। কেউ কিছুই করতে পারবে না।’ 
বিষয়টি নিয়ে দেগঙ্গার বিডিও ফাহিম আলম বলেন, ‘অভিযোগ এসেছে। পুলিসকে বলা হয়েছে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিতে। সেই রিপোর্ট এখনও আমরা হাতে পাইনি। তবে শীঘ্রই উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ