দুবাই: আগ্নেয়গিরির লাভার মতো উদগীরণ হচ্ছে ক্ষোভ। ভারতের কাছে দুরমুশ হওয়ার পর রীতিমতো ফুঁসছেন পাকিস্তানের প্রাক্তনরা। সলমন আগার দলের কার্যত মুণ্ডপাত করেছেন ওয়াসিম আক্রাম, রামিজ রাজা, শোয়েব আখতাররা। এমন আত্মসমর্পণ কোনওভাবেই মানতে পারছেন না তাঁরা।
দুবাই: আগ্নেয়গিরির লাভার মতো উদগীরণ হচ্ছে ক্ষোভ। ভারতের কাছে দুরমুশ হওয়ার পর রীতিমতো ফুঁসছেন পাকিস্তানের প্রাক্তনরা। সলমন আগার দলের কার্যত মুণ্ডপাত করেছেন ওয়াসিম আক্রাম, রামিজ রাজা, শোয়েব আখতাররা। এমন আত্মসমর্পণ কোনওভাবেই মানতে পারছেন না তাঁরা।
পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হানার পর এটাই ছিল প্রথম ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। এই মোকাবিলার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল মর্যাদার প্রশ্ন। সেখানে ফখর জামানদের বিবর্ণ পারফরম্যান্স সেদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের বুকে শক্তিশেল হয়ে বিঁধছে। ধারাভাষ্যকার হিসেবে মাঠে উপস্থিত আক্রাম বলেই ফেলেছেন, ‘বিপক্ষের দরকার নেই। পাকিস্তানের হারের জন্য ওরা নিজেরাই যথেষ্ট। ইনিংসে ৬৩টি ডটবল রয়েছে, যা দশ ওভারের বেশি! এই দলটাকে সমর্থন করা যায় না। জানি, অপমানিত হতেই হবে। এবার কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। ক্যাপ্টেন-কোচকে ডাকা হোক।’ ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে রামিজ বলেছেন, ‘এটা লজ্জাজনক পরাজয়। লড়াই করলে হারও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু এটা বরদাস্ত করা যাচ্ছে না।’
স্টুডিওতে বসা শোয়েবের গলাতেও আক্ষেপ, ‘প্রচণ্ড হতাশ। এটা তো বাচ্চাদের মতো হার। দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের মোকাবিলা করার যোগ্যতাই নেই আমাদের। বড়জোর অ্যাসোসিয়েট দলগুলোর চেয়ে হয়তো সামান্য এগিয়ে রয়েছি। এত খারাপ খেলতে পাকিস্তানকে কখনও দেখিনি। ওদের নিয়ে কথা বলতেই ইচ্ছা হচ্ছে না।’ কামরান আকমল বলেছেন, ‘হকির পথ ধরেই ধ্বংসের মুখে ক্রিকেট। গত দশটা প্রতিযোগিতাতেই তো আমরা খারাপ খেলেছি। আর একটায় ব্যর্থ হলে কী-ই বা এসে যাবে?’
প্রাক্তনরা একযোগে মেনে নিচ্ছেন যে ভারতের ক্রিকেটীয় পরিকাঠামো ও প্রতিভার সামনে পাকিস্তান স্রেফ ‘জিরো’। কেউ কেউ বলছেন, ভাঁড়ারে প্লেয়ারই নেই। এই দলটা খেলবে কী করে? কারও কারও মতে, ভিডিও গেমে খেললেও সলমনরা কোনোদিন জিততে পারবে না। পাকিস্তানের প্রধান কোচ মাইক হেসনও হতাশ। তিনি বলেছেন, ‘শুরুতে বল পিচে পড়ে থমকে আসছিল। যেভাবে খেলা উচিত ছিল আমরা তা পারিনি। মাঝের ওভারে পর পর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিলাম। বড় ম্যাচ যত খেলব, তত নিজেদের উপর আস্থা বাড়বে।’