সংবাদদাতা, বজবজ: বজবজ বিধানসভা কেন্দ্রের ১০টি হোল্ডিংয়ের প্রায় দেড়শো জন ভোটারের নাম উধাও হয়ে গিয়েছে তালিকা থেকে। এরা সকলেই বজবজ পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিদ্যাসাগর রোডের ফটিক গলির বাসিন্দা।
সংবাদদাতা, বজবজ: বজবজ বিধানসভা কেন্দ্রের ১০টি হোল্ডিংয়ের প্রায় দেড়শো জন ভোটারের নাম উধাও হয়ে গিয়েছে তালিকা থেকে। এরা সকলেই বজবজ পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিদ্যাসাগর রোডের ফটিক গলির বাসিন্দা।
২০০২ সালের ১১৬ বজবজ বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকার ৬৪ নম্বর অংশে এই ১৫০ জনের কারও অস্তিত্ব নেই (এখন ওই বিধানসভা কেন্দ্র ১৫৬ এবং ৬৬ নম্বর অংশ হয়েছে)। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গত ৯৫ সাল থেকে ভোটের কার্ড রয়েছে। ভোট দিয়ে আসছেন ধারাবাহিকভাবে। স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন শুরু হতেই ভোটাররা ২০০২ সালের তালিকায় তাঁদের নাম খুঁজে পাচ্ছেন না। কেন এমন হল? তা নিয়ে শুরু হয়েছে শোরগোল। ডায়মন্ডহারবার-যাদবপুর তৃণমূল কংগ্রেস সাংগঠনিক জেলার বিএলএ-১ এবং বজবজ পুর চেয়ারম্যান গৌতম দাশগুপ্ত বলেন, গত মঙ্গলবার বিষয়টি আমাদের নজরে আসে। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির কারণে এমনটা হয়েছে। এঁরা সকলে বৈধ ভোটার। ৯৫ সালের ভোটের কার্ড রয়েছে। তাহলে ২০০২ সালের তালিকায় কেন নাম উধাও হয়ে গেল? বিষয়টি তথ্য ও প্রমাণসহ আলিপুরে জেলা প্রশাসন বিল্ডিংয়ে বজবজ বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত ইআরও জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় এবং এইআরও প্রণয় দাসকে লিখিত জানিয়েছি। এখনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি। ইআরও জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, চেয়ারম্যান বিষয়টি নজরে আনার পর তা দেখা হয়েছে। আপাতত দু’টি হোল্ডিংয়ে খোঁজ করা হয়েছে। কিন্তু কিছু পাওয়া যায়নি। এখনও বাকি আছে। সবটা খোঁজার পর যদি পাওয়া না যায়, তাহলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব।