Bartaman Logo
১৮ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিশ্বভারতী: অধ্যাপকদের কাজের রিপোর্ট চালুর সিদ্ধান্তে আপত্তি

বিশ্বভারতীতে অধ্যাপকদের মাসিক কাজের রিপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি তুললেন বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক তথাগত চৌধুরী।

বিশ্বভারতী: অধ্যাপকদের কাজের রিপোর্ট চালুর সিদ্ধান্তে আপত্তি
  • ১৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বোলপুর: বিশ্বভারতীতে অধ্যাপকদের মাসিক কাজের রিপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি তুললেন বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক তথাগত চৌধুরী। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কয়েকজন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে সবার উপর একই ধরনের নজরদারি চালানো ঠিক নয়। যদিও এই নিয়ে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষকে ফোন ও মেসেজ করা হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৭ আগস্ট বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মাসিক কাজের রিপোর্ট চালুর কথা জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু অধ্যাপক নির্ধারিত সময়ে ক্লাস নিচ্ছেন না এবং কেউ কেউ অনুমতি ছাড়াই ছুটি নিচ্ছেন। ইউজিসির নির্দেশিকা মেনেই এই ব্যবস্থা চালুর কথা জানানো হয়েছে।
এই অধ্যাপকের মতে, কোনো নির্দিষ্ট অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু তার জন্য সব অধ্যাপকের সন্দেহের চোখে দেখা বা অতিরিক্ত প্রশাসনিক নজরদারির মধ্যে রাখা উচিত নয়। তাঁর আরও দাবি, ইউজিসির নির্দেশিকায় অধ্যাপকদের প্রতিদিনের কাজের লিখিত হিসাব বিভাগীয় প্রধানের কাছে জমা দেওয়ার কথা নেই। এছাড়াও চিঠিতে অধ্যাপকদের কখন বিভাগে ঢুকছেন বা বেরোচ্ছেন, তা নথিভুক্ত করা ও বিভিন্ন ফর্ম পূরণ করানোর মতো ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও আপত্তি জানানো হয়েছে। এভাবে নজরদারি বাড়লে শিক্ষকদের মূল কাজ, পড়ানো ও গবেষণা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। অধ্যাপক তথাগত চৌধুরী বলেন, অধ্যাপকদের কাজের মূল্যায়ন অবশ্যই হতে পারে। কিন্তু তার নামে যদি প্রতিদিনের কাজের উপর নজরদারি চালানো হয়, তা হলে শিক্ষাদান, গবেষণা এবং ছাত্রছাত্রীদের জন্য কাজ করার সময় কমে যাবে। কয়েকজনের জন্য গোটা অধ্যাপক সমাজকে সন্দেহের চোখে দেখা উচিত নয়। নতুন ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছেন তিনি। ফলে মাসিক কাজের রিপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত ঘিরে বিশ্বভারতীর অধ্যাপক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।  ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ