নয়াদিল্লি: পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং ইগো ছেঁটে ফেলা। ব্যাটসম্যান হিসেবে এই নীতিতে বিশ্বাস রেখেই সফল বিরাট কোহলি। প্রথম ভারতীয় হিসেবে সদ্য টি-২০ ক্রিকেটে ১৩ হাজার রানের গণ্ডি পেরিয়েছেন তিনি। সেটাও দেশের হয়ে টি-২০ ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণার পর। আইপিএলের চলতি আসরে চার ইনিংসে ১৬৪ করে ফেলেছেন ভিকে। গড় ৫৪.৫৫। স্ট্রাইক রেট ১৪৩.৮৫। ইডেনে কলকাতা নাইট রাইডার্সের পর ওয়াংখেড়েতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে হাফ-সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। জিওহটস্টারে এক সাক্ষাৎকারে বিরাট বলেছেন, ‘ব্যাটিংয়ে ইগোর জায়গা নেই। কাউকে ছাপিয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা কখনওই মাথায় থাকে না। ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে এগিয়ে যাওয়াই শেষ কথা। আর এটা করতে পারলে গর্ব অনুভব করি। সেই মুহূর্তে দল যা চাইছে, ব্যাট হাতে তা পালন করাই লক্ষ্য থাকে। ছন্দে থাকলে, ব্যাটে-বলে হলে সাধারণত আমিই বেশি শট খেলি। তবে উল্টোদিকে থাকা পার্টনার আমার থেকেও ভালো ছন্দে থাকলে তাকেই মারতে দিই। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির একটা ম্যাচে যেমন শ্রেয়স আয়ারই তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক ছিল। এতে ইগোর কোনও স্থান নেই।’
২০০৮ সাল থেকে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলছেন বিরাট। লম্বা এই সফর নিয়ে ৩৬ বছর বয়সির মূল্যায়ন, ‘আরসিবির হয়ে প্রথম তিন বছর মিডল অর্ডারে নামতাম। টপ অর্ডারে খেলার বিশেষ সুযোগ পাইনি। সেই সময় ড্রেসিং রুমে রাহুল দ্রাবিড়, অনিল কুম্বলের উপস্থিতিতে রূপকথা মনে হতো সবকিছু। ২০১০ সালের পর পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা আসে। ২০১১ থেকে নিয়মিতভাবে তিন নম্বরে নামছি। প্রকৃতপক্ষে আমার আইপিএল সফর তখন থেকেই শুরু। প্রতিযোগিতার ধরনই এমন যে, প্রতিনিয়ত কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে পড়তে হয়। এটা দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নয়। অনেক সপ্তাহ ধরে চলে। পয়েন্ট টেবিলে ওঠা-পড়া থাকে সবসময়। তাই ভীষণরকম চাপও সহ্য করতে হয়। ক্রমাগত লড়াই চালাতে হয় মানসিকভাবে। এটাই টি-২০ ক্রিকেটে আমার স্কিল বাড়াতে সাহায্য করেছে।’



