


বেঙ্গালুরু: বিজয় হাজারে ট্রফিতে প্রত্যাবর্তনেই মাতালেন দুই মহারথী। বেঙ্গালুরু ও জয়পুরে বুধবার সেঞ্চুরি করলেন যথাক্রমে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা। একইসঙ্গে দু’জনের ব্যাটেই ভাঙল রেকর্ড। লিস্ট এ ক্রিকেটে দ্রুততম ১৬০০০ রান করে শচীন তেন্ডুলকরকে পিছনে ফেললেন ভিকে। বেঙ্গালুরুর বিসিসিআই সেন্টার অব এক্সেলেন্সের মাঠে এদিন অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে ৩৩০তম ইনিংসে তিনি পেরলেন এই মাইলস্টোন। শচীনের সেখানে লেগেছিল ৩৯১ ইনিংস। ১০০০০ থেকে ১৬০০০ পর্যন্ত প্রতিটা হাজার রানের মাইলফলকেই দ্রুততম কোহলি। অন্যদিকে, জয়পুরের সোয়াই মান সিং স্টেডিয়ামে রোহিত সিকিমের বিরুদ্ধে লিস্ট এ ক্রিকেটে দেড়শো রানে পৌঁছলেন নবমবারের জন্য। এই তালিকায় শীর্ষে থাকা ডেভিড ওয়ার্নারকে স্পর্শও করলেন।
দর্শকহীন সেন্টার অব এক্সেলেন্সের মাঠে ২৯৯ তাড়া করতে নেমেছিল দিল্লি। চেজমাস্টার কোহলির ১০১ বলে ১৩১ রানের সুবাদে ৩৭.৪ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছয় তারা (৩০০-৬)। ১৪টা চার ও তিনটি ছক্কা মারেন বিরাট। লিস্ট এ ক্রিকেটে এটি তাঁর ৫৮তম শতরান। ৩৯ বলে পঞ্চাশের পর তাঁর সেঞ্চুরি আসে ৮৪ ডেলিভারিতে। খেলার শেষে সেলফি ও অটোগ্রাফ সংগ্রহের জন্য উদ্যোগী হয়ে ওঠেন বিপক্ষ ক্রিকেটার এবং অফিসিয়ালরা। বিরাট অবশ্য কাউকেই নিরাশ করেননি। হাসিমুখেই সবার আব্দার মেটান। অন্ধ্রর শতরানকারী রিকি ভুঁই বলেন, ‘কোহলির সঙ্গে এক ম্যাচে খেলার স্বপ্ন পূরণ হল।’
রোহিতও শটের ফুলঝুরিতে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখেন সোয়াই মান সিং স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজার কুড়ি ক্রিকেটপ্রেমীকে। সিকিমের বিরুদ্ধে ২৩৭ রান তাড়া করতে নেমে ৯৪ বলে হিটম্যানের সংগ্রহ ১৫৫। মুম্বইকরের ইনিংসে রয়েছে ১৮টি চার ও নয়টি ছক্কা। লিস্ট এ ক্রিকেটে এটি তাঁর ৩৭তম শতরান। রোহিতের সুবাদেই ৩০.৩ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছয় মুম্বই (২৩৭-২)। তাঁর শতরান আসে মাত্র ৬২ বলে। দেড়শো করতে নেন ৯১ ডেলিভারি। উপস্থিত দর্শকরা ‘মুম্বই চা রাজা রোহিত শর্মা’ স্লোগানে ভরিয়ে দেন আকাশ-বাতাস। কেউ কেউ বিদ্রুপের সুরে বলেন, ‘গৌতম গম্ভীর কোথায়? ইনিংসটা দেখছে না?’
বিজয় হাজারে ট্রফির অন্য ম্যাচে আমেদাবাদে ঈশান কিষানের ৩৯ বলে ঝোড়ো ১২৫ রানের সৌজন্যে ঝাড়খণ্ড ৯ উইকেটে তোলে ৪১২। জবাবে দেবদূত পাদিক্কালের ১১৮ বলে ১৪৭ গড়ে দেয় কর্ণাটকের (৪১৩-৫) জয়ের ভিত। অন্য ম্যাচে তামিলনাড়ু ও মধ্যপ্রদেশ যথাক্রমে পুদুচেরি ও রাজস্থানকে হারিয়েছে।