মুম্বই: বিজয় মালিয়ার কাছ থেকে ব্যাংক ঋণের ১৫ হাজার কোটি টাকা পুনরুদ্ধার হয়েছে। যদিও ফেরার এই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের বকেয়া মামলা বা ফৌজদারি পদক্ষেপে যবনিকা পড়বে না। বম্বে হাইকোর্টে একথা জানিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এই কেন্দ্রীয় এজেন্সির আইনজীবী আশিস মেহতা আদালতে জানিয়েছেন, এসবিআইয়ের নেতৃত্বাধীন কনসর্টিয়ামের ঋণের টাকা আদায়ের বিষয়টি সম্পূর্ণ পৃথক বিষয়। এর সঙ্গে মালিয়ার বিরুদ্ধে চলা ফৌজদারি প্রক্রিয়াগুলিকে এক করে দেখানো যায় না।
এর আগে আদালতে মালিয়ার আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, ৬ হাজার ২০৩ কোটি টাকার মূল ঋণের বিপরীতে সুদ সহ প্রায় ১৫,০০০ কোটি টাকা আদায় করেছে কনসর্টিয়াম। সেকথা মাথায় রেখে হাইকোর্টে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা মামলাগুলি বন্ধ করা হোক। মালিয়ে নিজেও ব্রিটেন থেকে হামেশাই সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই একই দাবি করে থাকেন। যদিও মালিয়ার এই যুক্তি খারিজ করেছে ইডি। তাদের পালটা বক্তব্য, অর্থ পুনরুদ্ধার হয়েছে বলেই ফৌজদারি প্রক্রিয়া অর্থহীন হয়ে যায় না। বরং মালিয়ার অনুপস্থিতি ও আচরণ বর্তমান মামলার সামগ্রিক প্রেক্ষাপটের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিকই থাকে। ইডির আরও বক্তব্য, অর্থ তছরুপ বিরোধী আইনের ধারা ৮(৮)-এর অধীনে সম্পদ পুনরুদ্ধার হল ক্ষতিপূরণের জন্য একটি বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া। বিচারাধীন অর্থ তছরুপ বিরোধী আইনের প্রক্রিয়াকে বাতিল বা নিষ্ফল করতে পারে না সম্পদের পুনরুদ্ধার বা পুনর্বহালের ঘটনা।