Bartaman Logo
১১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মধ্যমগ্রামের কালীপুজোয় রকমারি লোকশিল্প, বারাসতে মুক্তির সন্ধান

কালীপুজোয় বারাসত ও মধ্যমগ্রাম সাজো সাজো রব। চারদিকে আলোর উচ্ছ্বাস, উৎসবের আবহ। মধ্যমগ্রামের চৌমাথা থেকে সোদপুর রোড ব্রিজে ওঠার আগেই চোখে পড়বে এক অনন্য দৃশ্য

মধ্যমগ্রামের কালীপুজোয় রকমারি লোকশিল্প, বারাসতে মুক্তির সন্ধান
  • ১৯ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: কালীপুজোয় বারাসত ও মধ্যমগ্রাম সাজো সাজো রব। চারদিকে আলোর উচ্ছ্বাস, উৎসবের আবহ। মধ্যমগ্রামের চৌমাথা থেকে সোদপুর রোড ব্রিজে ওঠার আগেই চোখে পড়বে এক অনন্য দৃশ্য। ১৮ তম বর্ষে পদার্পণ করেছে বসুনগর প্রতাপ সঙ্ঘের কালীপুজো। এবার তাদের থিম লোকজ। প্যান্ডেলজুড়ে ফুটে উঠেছে লোকশিল্প। প্যান্ডেলের নকশায় থাকছে দেশ, বিদেশের নানা লোকশিল্পের আদল। থাকছে ভারতের গুহাচিত্র, রাজস্থানের লোকশিল্প, দক্ষিণ ভারতের হাতির ভাস্কর্য, বাংলার পটচিত্র ও নকশিকাঁথা, আফ্রিকার ট্রাইবাল মাস্ক আর্ট, মেক্সিকোর মায়ান গুহাচিত্র। নকশার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে লোহার কাঠামোর উপর পুট্টি ও রং, প্লাই বোর্ড। দেবীর মূর্তি এখানে সাবেকি। ১০-১২ জন কর্মী দিনরাত এক করে এই শিল্পভুবন তৈরি করছেন। পুজোর উদ্বোধন হবে ১৯ অক্টোবর। 

Advertisement

এনিয়ে পুজো কমিটির অন্যতম কর্তা মলয় পাল বলেন, আমরা এবার নানা ভাষা, রীতি, শিল্পের মধ্যে যে মিল, সেটাই দর্শককে উপহার দেব। থিমে শুধু ভারতের নয়, দেশ, বিদেশের নানাপ্রান্তের লোকশিল্পকে একসঙ্গে বুনে দেওয়া হয়েছে শিল্পের ছোঁয়ায়। চেয়েছি পুজোয় মানুষ যেন অনুভব করে লোকশিল্পই আমাদের সভ্যতার প্রথম ভাষা। যতই সময় বদলাক না কেন, মানুষের হৃদয়ে লোকশিল্পের আবেগ কখনও মুছে যায় না।
আলো ও অন্ধকারের লড়াই চিরকালীন। এরমাঝেই জন্ম নেয় মুক্তির তৃষ্ণা। আর সেই মুক্তির লক্ষ্যেই ৫৬ তম বর্ষে কালীপুজোয় এক অনন্য বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে বারাসতের ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন তরুছায়া ক্লাব। তাদের এবারের থিম মুক্তির সন্ধানে। মানুষের মনের অন্ধকার, ভয় কাটিয়ে সত্য ও ন্যায়, মানবতার আলোয় পৌঁছনর গল্প বলবে এই পুজো। এখানে মা কালী হলেন মুক্তির দেবী। প্রতিমাতেও রয়েছে অভিনবত্ব। এখানে মা কালীকে দেখা যাবে এক অন্যরূপে। তাঁর চোখে জ্বলে উঠেবে করুণা ও প্রেরণার দীপ। আলোকসজ্জায় থাকছে বিশেষ ছোঁয়া। পুজো কমিটির সদস্য রূপায়ণ ভট্টাচার্য, অভিষেক সুরদের কথায়, আমরা চাই মানুষ এখানে এসে অনুভব করুক নিজের ভিতরের মুক্তির যাত্রা। মা যেন সকলের ভয় দূর করে দেন, প্রতিটি মানুষকে আলোয় ভরিয়ে দেন। পুজোর মধ্য দিয়ে আমাদের একটাই বার্তা, অন্ধকার যত গভীরই হোক, আলো আসবে এটা নিশ্চিত। মুক্তিই সত্য, মুক্তিই শক্তি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ