বুলাওয়া: এশিয়া কাপ ফাইনালে ভারতকে বড় ব্যবধান হারিয়েছিল পাকিস্তান। যুব বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে তার বদলা নিল আয়ুষ মাত্রে ব্রিগেড। একেবারে প্রতিযোগিতা থেকেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ছিটকে দিলেন বেদান্ত ত্রিবেদি, খিলান প্যাটেলরা। রবিবার বুলাওয়াতে পাক-বাহিনীকে ৫৮ রানে বশ মানিয়ে সেমি-ফাইনালে জায়গা পাকা করল টিম ইন্ডিয়া। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত তোলে ২৫২ রান। জবাবে ৪৬.২ ওভারে ১৯৪ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। বুধবার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত।
শেষ চারে যাওয়ার সমীকরণটা স্পষ্ট ছিল দু’দলের সামনে। জিতলেই সেমি-ফাইনালে উঠত ভারত। পাকিস্তানকে শেষ চারে যেতে বড় ব্যবধানে জিততে হত। ২৫৩ রান তাড়া করতে নামার সময় অঙ্কটা দাঁড়ায় ৩৩.৩ ওভারের মধ্যে লক্ষ্যে পৌঁছানো। শুরুটা ভালো করেওছিল পাকিস্তান। মাত্র দুই উইকেট খুইয়ে দেড়শোর গণ্ডিও টপকায়। তবে শেষ চারে যাওয়ার কোনও ইচ্ছা তাদের ছিল না। ভারতকে হারাতে পারাটা যে পাকিস্তানের কাছে ট্রফির চেয়েও বেশি মুল্যবান। কিন্তু সেটাও আর হল কোথায়! ১৫১ রানে তৃতীয় উইকেট পড়ার পরই খেই হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান। তাদের রীতিমতো চেপে ধরেন ভারতের স্পিনাররা। আর স্পিনের ভেল্কিতে ল্যাজেগোবরে হয় সবুজ জার্সিধারীরা। শেষ পর্যন্ত দুশো রানের গণ্ডিই টপকাতে পারেনি পাকিস্তান। তাদের হয়ে সবচেয়ে বেশি ৬৬ রান করেন উসমান খান। ক্যাপ্টেন আয়ুশ (৩-২১) ও খিলান (৩-৩৫) তিনটি করে উইকেট নেন।
তার আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪৭ রানে তিন উইকেট খোয়ায় ভারত। ২২ বলে ৩০ রান করে আউট বৈভব সূর্যবংশী। তিনে নামা ক্যাপ্টেন আয়ুষ তো খাতাই খুলতে পারেননি। অপর ওপেনার অ্যারন জর্জের সংগ্রহ ১৬। তবে বেদান্ত ত্রিবেদী দু’টি চার ও একটি ছক্কা সহ ৯৮ বলে ৬৮ রানের লড়াকু ইনিংস উপহার দেন। শেষ দিকে অম্বরীশ (২৯) ও কনিষ্কের (৩৫) ব্যাটে আড়াইশো রানের গণ্ডি টপকায় ভারত।
এদিকে, ডাগ-আউটে বসে মোবাইল ব্যবহার করা নিয়ে বিতর্কে জড়ালেন পাক কোচ সরফরাজ আহমেদ।