• ‘প্রজন্ম পেরিয়ে যায়, সময় বদলায়, সিনেমার ভাষা পরিবর্তিত হয়... তবুও মহানায়কের জায়গা থেকে যায় অমোঘ— মহানায়ক একজনই, উত্তমকুমার’, শুক্রবার ‘উত্তমকুমার ফিল্ম সেন্টার’-এর ভূমিপুজো অনুষ্ঠানে বলছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মহানায়কের জন্মশতবর্ষে উত্তমকুমারকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে শুরু হয়েছে বছরভর নানা কর্মসূচি। আর সেই আবহেই ভূমিপুজো হল বহু প্রতীক্ষিত ‘উত্তমকুমার ফিল্ম সেন্টার’-এর। মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, ফিল্ম সেন্টারটি তিনটি অংশে বিভক্ত থাকবে। প্রথম অংশে থাকবে ৭৫০ আসনবিশিষ্ট দু’টি সিনেমা হল। দ্বিতীয় অংশে থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য এক হাজার আসনের অডিটোরিয়াম এবং একটি ওপেন এয়ার থিয়েটার। আর তৃতীয় অংশটি হবে অ্যানিমেশন, ভিজ্যুয়াল এফেক্টস এবং সিনেমার পোস্ট-প্রোডাকশনের জন্য ল্যাবরেটরি ও স্টুডিয়ো। এদিন নন্দন-১-এ উত্তমকুমার চলচ্চিত্র উৎসবের সূচনা হল। উদ্বোধনী ছবি সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’। উৎসবের সূচনায় উপস্থিত ছিলেন সত্যজিৎ রায়ের পুত্র সন্দীপ রায়। চলচ্চিত্র উৎসবের সূচনালগ্নে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক শেখর দাসও। সন্ধ্যার আসর রবীন্দ্রসদনে। মহানায়কের স্মরণে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, ড. সুখেন্দুশেখর রায়, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, পূর্ণিমা চক্রবর্তী-সহ আরও অনেকে। এরপরই আয়োজিত হল ‘কাছে রবে’। উত্তমকুমারের সহশিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন সেখানে। রবীন্দ্রসদনে ছিলেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, মিঠুন চক্রবর্তী, মাধবী মুখোপাধ্যায়, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, প্রভাত রায়, মিতা চট্টোপাধ্যায়, লিলি চক্রবর্তী, রঞ্জিত মল্লিক, দীপঙ্কর দে, রত্না ঘোষাল, শকুন্তলা বড়ুয়া, কল্যাণী মণ্ডল। ছিলেন পরিচালক বীরেশ চট্টোপাধ্যায়, প্রোডাকশন ম্যানেজার কার্তিক মণ্ডল, মেকআপ আর্টিস্ট বিশু দাস।



