নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা বজবজ: দুপুরের মেনুতে বিরিয়ানি আর নরম তুলতুলে বোনলেস মাটন রেজালা। সঙ্গে দই কাতলা আর পাবদা মাছ। সকালে ঘুম থেকে উঠলে, অবশ্যই চাই একেবারে বিশ্বখ্যাত মকাইবাড়ির পাতা চা। না-হলে চায়ের কাপে ঠোঁটই ছোঁয়াতে চাইতেন না জাহাঙ্গির। আধ ঘণ্টা পর ঘিয়ে ভাজা গরম পরোটা অথবা লুচির সঙ্গে আলুর তরকারি। এটাই ছিল জাহাঙ্গিরের প্রতিদিনের সকাল ও দুপুরের মেনু। বিকালে কাজু, কিশমিশ, আমন্ড এবং তার সঙ্গে টুকরো করে কাটা আপেলের বরফি। রাতে রুটি-তরকারি বা সবজি। কখনো কখনো ভাত ও রুই মাছের ঝোলও খেতেন। সবসময় তাঁর এসি ঘরের ভিতর সুসজ্জিত ঝকঝকে ডাইনিং হলের কাচের বড়ো টেবিলে বসে খেতেন তিনি। জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্য এবং তাঁর সঙ্গে সবসময় যাঁরা ওঠাবসা করতেন তাঁদের কয়েকজন জানিয়েছেন এই মেনু। কিন্তু একদা ‘বেতাজ বাদশা’ জাহাঙ্গির ওরফে পুষ্পা (স্বঘোষিত) তাঁর নানা ‘কীর্তি’র সৌজন্যে এখন ফলতা থানার ছোটো গরাদের ভিতরে নন-এসি রুমে বন্দি। গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা তাঁরা। হাফ প্যান্ট আর একটা গেঞ্জি পরে মেঝেতে চুপ করে বসে থাকতে হচ্ছে তাঁকে। থানার লকআপের ভিতর তিনি তাঁর পছন্দের কোনো খাবারই পাচ্ছেন না।



