Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

আমেরিকাকে ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ ফিরিয়ে দিতে বললেন ফরাসি সাংসদ

তাই আমাদের উপহার দেওয়া স্ট্যাচু অব লিবার্টি ফিরিয়ে দিন

আমেরিকাকে ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ ফিরিয়ে দিতে বললেন ফরাসি সাংসদ
  • ১৮ মার্চ, ২০২৫ ১৭:০৩
Prefer us on Google

প্যারিস, ১৮ মার্চ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে উপহার দেওয়া ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ ফেরত চাইলেন ফ্রান্সের এক সাংসদ। ফ্রান্সের মধ্য-বামপন্থী দলের সাংসদ রাফায়েল গ্লুকসম্যান গত রবিবার বলেছেন, আমেরিকানরা এখন স্বৈরশাসকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তারা স্বাধীন গবেষকদের বরখাস্ত করছে। তাই আমাদের উপহার দেওয়া স্ট্যাচু অব লিবার্টি ফিরিয়ে দিন। আমরা এটি আপনাদের উপহার দিয়েছিলাম, কিন্তু আপনারা তার অপমান করছেন। তাই এটি এখন আমাদের কাছেই ভালো থাকবে।’ ১৮৮৬ সালের ২৮ অক্টোবর নিউইয়র্ক বন্দরে ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র উন্মোচন করা হয়। এটি ফ্রান্সের জনগণের পক্ষ থেকে মার্কিন স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে আমেরিকানদের উপহার দেওয়া হয়েছিল।

Advertisement

ফরাসি ভাস্কর অগাস্ট বার্থোল্ডি এটি বানিয়েছিলেন। কিন্তু কেন এমন দাবি ফরাসি সাংসদের? বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউক্রেনে যুদ্ধ থামানোর বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরেই রাশিয়ার সঙ্গে ‘গদগদ’ ভাব দেখাচ্ছেন তিনি। যে রাশিয়া একসময়ে পশ্চিমি দেশগুলির ‘চরম শত্রু’ বলে চিহ্নিত ছিল। এখন তাদের সঙ্গেই ট্রাম্পের ভাব জমানোকে ভালো চোখে দেখছেন না ইউরোপীয়ানরা। এরই সঙ্গে ফরাসি সাংসদের দাবি, আমেরিকায় ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর পুরনো নীতি থেকে সরে এসেছে। ইউক্রেনে যুদ্ধ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কিংবা গবেষণা খাতে বাজেট কাটছাঁটের পথে হেঁটেছে মার্কিন মুলুক। যাতে ক্ষুব্ধ ওই সাংসদ।

গ্লুকসম্যান আমেরিকার উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ‘আপনারা যদি আপনাদের সেরা গবেষকদের বরখাস্ত করতে চান, যদি বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করতে চান, তাহলে আমরা , সেই গবেষকদের পাশে দাঁড়াব। তাঁদের স্বাগত জানাব। যেসব বিজ্ঞানী আমেরিকাকে বিশ্বের শীর্ষ শক্তিতে পরিণত করেছেন, তাঁদের আমরা গ্রহণ করে ফ্রান্সে কাজের সুযোগ করে দেব।’ যদিও ফরাসি সাংসদের এই মন্তব্যের পাল্টা দিয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিয়াভিট। তিনি জানিয়েছেন, ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি ফেরানোর প্রশ্নই নেই। বরং আমার ওই নীচু মানসিকতার ফরাসি সাংসদকে এটা স্মরণ করাতে চাই যে আমেরিকার জন্যই আজ ফ্রান্স ফরাসি ভাষায় কথা বলতে পারছে। নইলে জার্মান ভাষায় কথা বলতে হতো। তাই ওঁদের আমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।’

সম্পর্কিত সংবাদ