ওয়াশিংটন: শান্তিচুক্তি এখনও বিশ বাঁও জলে। এরইমাঝে ফের অশান্ত পশ্চিম এশিয়া। মঙ্গলবার গভীর রাতে ইরানে হরমুজ প্রণালীর কাছে কেশম দ্বীপে হামলা চালাল মার্কিন সেনা। আমেরিকার দাবি, ইরানি ড্রোন অভিযান রুখতে অর্থাৎ আত্মরক্ষার্থে এই অভিযান।গুলি করে নামানো হয়েছে একাধিক ড্রোন। পালটা জবাব দিয়েছে তেহরানও। কুয়েত ও বাহরিনে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তারা। এর জেরে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সহ একাধিক বহুতল। কুয়েতের বিমানবন্দরে ইরানের এই হামলায় এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। জখম ৬৩ জন। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পাশাপাশি কাতার, আরব আমিরশাহি, লেবানন, জর্ডন সহ উপসাগরীয় এলাকার একাধিক দেশ এর তীব্র নিন্দা করেছে।
এদিন মার্কিন সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, গভীর রাতে উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিবেশী দেশ ও মার্কিন জাহাজ লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন নিক্ষেপ করে ইরান। তা প্রতিহত করতেই অভিযান চালায় আমেরিকা। মাঝ আকাশে ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সেইসূত্রে আত্মরক্ষার্থেই কেশম দ্বীপে ইরানের সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ করা হয়েছে।
এরপরই কুয়েতকে লক্ষ্য করে দু’টি ও বাহরিনকে লক্ষ্য করে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরানি সেনা। ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কুয়েতের বিমানবন্দর। ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে একাধিক জায়গায় আগুন লেগে যায়। এর জেরে এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। কুয়েতের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, জখম প্রায় ৬৩ জন। এই হামলার পর সাময়িকভাবে বিমান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। বাহরিনেও তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বাহরিনে আমেরিকার নৌসেনার সদর দপ্তরকে নিশানা করে হামলা চালানো হয়েছিল। তবে হতাহতের খবর মেলেনি।