Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দুর্গাপুজোর ব্যানার পুড়িয়ে দেওয়ায় হইচই বালুরঘাটে

রাতের অন্ধকারে বালুরঘাট শহরের নাইন জুয়েলস ক্লাবের দুর্গাপুজোর ব্যানারে আগুন লাগিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা।

দুর্গাপুজোর ব্যানার পুড়িয়ে দেওয়ায় হইচই বালুরঘাটে
  • ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: রাতের অন্ধকারে বালুরঘাট শহরের নাইন জুয়েলস ক্লাবের দুর্গাপুজোর ব্যানারে আগুন লাগিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা। ওই ব্যানারে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শঙ্কর চক্রবর্তী, তাঁর ছেলে তথা বালুরঘাট জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী ঋতব্রত চক্রবর্তী এবং প্রাক্তন মন্ত্রীর পুত্রবধূ এবং ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর ছবি। বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করছেন ক্লাবের সম্পাদক অগ্নিব গুহ। অভিযোগের ভিত্তিতে পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাস জানিয়েছেন। 

Advertisement

ক্লাবের সম্পাদকের দাবি, ব্যানার পুড়িয়ে দেওয়ার পিছনে দুষ্কৃতীদের হাত রয়েছে। ব্যানারে মুখ্যমন্ত্রী ও চক্রবর্তী পরিবারের সদস্যদের ছবি ছিল। প্রত্যেককেই অপমান করা হয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সরকারি আইনজীবী ঋতব্রত চক্রবর্তী। জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করলে দোষীরা গ্রেফতার হবে। 
ব্যানার পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় অনেকে রাজ্যের শাসকদলের গোষ্ঠীকোন্দল বলে মনে করলেও এর দায় বিরোধীদের উপর চাপিয়েছেন তৃণমূল কাউন্সিলার প্রদীপ্তা চক্রবর্তী। প্রদীপ্তার কথায়, ওই ব্যানারে মুখ্যমন্ত্রীরও ছবি ছিল। বাকি যাঁদের ছবি ছিল, প্রত্যেকেই সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছে। ব্যানার পুড়িয়ে ফেলা আসলে সরকারকে অপমান করা। এর পিছনে বিরোধীদের হাত থাকলেও থাকতে পারে। এধরনের নোংরা রাজনীতি বিজেপি করে না বলে দাবি করেছেন দলের   জেলা সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার। তাঁরও মত, এর পিছনে তৃণমূলেরই গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে।  তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, এখানে দলের গোষ্ঠী কোন্দলের কিছু নেই। যারা এই ধরনের কাজ করেছে, ঠিক করেনি। শঙ্কর চক্রবর্তী প্রাক্তন মন্ত্রী এবং এখনও সরকারি পদেই রয়েছেন। পুলিশ অপরাধীদের খুঁজে বের করুক।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ