সংবাদদাতা, মানিকচক: সরকারি ঘর তৈরির জন্য পাওয়া ৬০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হল নাজিরপুর পঞ্চায়েতের বিজেপি উপপ্রধানের স্বামীকে। তাঁর নাম বাংলার বাড়ির তালিকায় থাকায় তদন্তে নেমে সেই টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মানিকচক ব্লক প্রশাসন। শুক্রবার ঘটনাটি জানাজানি হতেই ব্যাপক শোরগোল এলাকাজুড়ে। ব্লক প্রশাসনের কাছে ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে নিয়েছেন উপপ্রধানের স্বামী কৃষ্ণ মণ্ডল।
Advertisement
মানিকচক ব্লকের নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির উপপ্রধান প্রিয়াঙ্কা মণ্ডলের স্বামী কৃষ্ণ মণ্ডলের নাম বাংলার বাড়ির তালিকায় রয়েছে। পেয়েছেন প্রথম কিস্তির টাকাও। তিনি দোতলা বাড়িতে থাকেন। তাসত্ত্বেও কীভাবে তাঁর নাম তালিকায় এল, তা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।
এই খবর ‘বর্তমান’ পত্রিকায় প্রকাশিত হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। উপপ্রধানের স্বামীর বাড়ি পরিদর্শন করে তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করল মানিকচক ব্লক প্রশাসন। শুক্রবার কৃষ্ণকে ব্লক প্রশাসনিক ভবনে ডেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সদুত্তর দিতে না পারায় তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে ব্লক প্রশাসন। মানিকচকের বিডিও অনুপ চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি জানামাত্রই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কৃষ্ণর বাড়ি পরিদর্শন করা হয়েছে। উপযুক্ত ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। বাড়ির জন্য পাওয়া ৬০ হাজার টাকা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফেরত দিতে বলা হয়েছে।
উপপ্রধানের স্বামী কৃষ্ণ বলেন, আমাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। আমার নিজস্ব কোনও বাড়ি নেই। তাই আমার নাম তালিকায় ছিল। অথচ আমাকে দোষী করে টাকা ফেরত দিতে বলা হচ্ছে। আমি টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য কিছু সময় চেয়েছি ব্লক প্রশাসনের কাছে।
প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে বাম ও তৃণমূল নেতৃত্ব। বামনেতা দেবজ্যোতি সিনহা বলেন, প্রশাসনের পদক্ষেপে আমরা খুশি। তবে অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যেন একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মানিকচকের তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে কোনও দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। ব্লক প্রশাসন সঠিক পদক্ষেপ করেছে।
এই খবর ‘বর্তমান’ পত্রিকায় প্রকাশিত হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। উপপ্রধানের স্বামীর বাড়ি পরিদর্শন করে তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করল মানিকচক ব্লক প্রশাসন। শুক্রবার কৃষ্ণকে ব্লক প্রশাসনিক ভবনে ডেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সদুত্তর দিতে না পারায় তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে ব্লক প্রশাসন। মানিকচকের বিডিও অনুপ চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি জানামাত্রই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কৃষ্ণর বাড়ি পরিদর্শন করা হয়েছে। উপযুক্ত ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। বাড়ির জন্য পাওয়া ৬০ হাজার টাকা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফেরত দিতে বলা হয়েছে।
উপপ্রধানের স্বামী কৃষ্ণ বলেন, আমাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। আমার নিজস্ব কোনও বাড়ি নেই। তাই আমার নাম তালিকায় ছিল। অথচ আমাকে দোষী করে টাকা ফেরত দিতে বলা হচ্ছে। আমি টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য কিছু সময় চেয়েছি ব্লক প্রশাসনের কাছে।
প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে বাম ও তৃণমূল নেতৃত্ব। বামনেতা দেবজ্যোতি সিনহা বলেন, প্রশাসনের পদক্ষেপে আমরা খুশি। তবে অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যেন একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মানিকচকের তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে কোনও দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। ব্লক প্রশাসন সঠিক পদক্ষেপ করেছে।



