নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: উপকূলবর্তী এলাকায় চাষের গুণগতমান বৃদ্ধি করতে সুসংহত ফার্মিং সিস্টেম বা খামার ব্যবস্থা গড়ার প্রস্তাব দিল বারাকপুরের পাট গবেষণা কেন্দ্র। শুক্রবার এই গবেষণা কেন্দ্রে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ সহ দেশের ন’টি উপকূলবর্তী রাজ্যের কৃষি বিজ্ঞানীরা বিকল্প কৃষি ব্যবস্থা ও পরীক্ষামূলকভাবে তার সাফল্য তুলে ধরেন। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বারবার উপকূল বিধ্বস্ত হলে চাষবাসে তার প্রভাব পড়ে। এক্ষেত্রে বিকল্প কৃষির প্রয়োজন। তিনদিনের এই কর্মসূচিতে ইন্ডিয়ান সোসাইটি অব কোস্টাল এগ্রিকালচারাল রিসার্চ-এর আলোচনায় উঠে এল সুসংহত খামার পদ্ধতির কথাও। যাতে, গ্রাম থেকে শহর— সর্বত্র শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের দিশা দেখানো যায়। এই আলোচনায় অংশ নেন অস্ট্রেলিয়া সরকারের কমনওয়েলথ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অর্গানাইজেশনের বিজ্ঞানী মহম্মদ মইনুদ্দিন। বাংলাদেশ ও এ রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় অস্ট্রেলিয়া সরকারের ওই সংস্থা বিকল্প কৃষি ব্যবস্থা ও কৃষকদের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছে। সঙ্গে রয়েছে ক্যানিংয়ের কেন্দ্রীয় মৃত্তিকা লবণাক্ততা গবেষণা সংস্থা। তার নির্দেশক ধীমান বর্মন বলেন, আমরা উপকূলীয় কৃষির উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে জোর দিয়েছি। আইলা, উম-পুনের বিপুল ক্ষতির পরেও বহু মানুষকে নতুন করে চাষে নিয়োজিত করা গিয়েছে। পাট ও অনুসারী তন্তু চাষে গত কয়েক বছরে কলকাতা লাগোয়া জেলায় তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গবেষণামূলক চাষে আগ্রহ বেড়েছে বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় পাট গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা। এই সংস্থার নির্দেশক গৌরাঙ্গ কর বলেন, উপকূলবর্তী এলাকায় ম্যানগ্রোভ লাগানো দরকার। ধানচাষের সঙ্গে সব্জি ও মাছ চাষে গুরুত্ব দিতে হবে। আমরা সেদিকেই জোর দিচ্ছি।



