সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: টম্যাটোর মরশুমে কার্যত ফাঁকা হলদিবাড়ির টম্যাটো বাজার। হাতেগোনা কিছু চাষি সাইকেলে করে টম্যাটো আনছেন বাজারে। যা স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে বাকিটা রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় পিকআপ ভ্যানে করে পাঠানো হচ্ছে। তবে বাজারে টম্যাটোর জোগান কম থাকলেও সেই তুলনায় দাম পাচ্ছেন না বলে আক্ষেপ চাষিদের। যদিও হলদিবাড়ির টম্যাটো পাইকারদের মতে, ভিনরাজ্যে লোকাল টম্যাটো থাকায় তেমন চাহিদা নেই। ফলে ৩-৪ টাকা কেজি দরে টম্যাটো কিনতে হচ্ছে।
Advertisement
কোচবিহার জেলার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী প্রান্তিক ব্লক হলদিবাড়ি কৃষিবলয় হিসেবে পরিচিত। হলদিবাড়ির উৎপাদিত টম্যাটো ও লঙ্কার রাজ্য তথা দেশজুড়ে সমান চাহিদা। হলদিবাড়ি ব্লকের কৃষকদের কাছে অর্থকরী প্রধান ফসল হল টম্যাটো। এ বছর সেই টম্যাটোর এখনও সেভাবে উৎপাদন না হওয়ায় কপালে ভাঁজ পড়েছে তাঁদের।
এ বিষয়ে হলদিবাড়ি উদ্যানপালন বিভাগের ক্ষেত্র পরামর্শদাতা মানস মিত্র বলেন, বর্ষার মরশুমের শেষের দিকে অত্যধিক বৃষ্টির জন্য বীজতলা তৈরি সহ চাষের জমি বানাতে সমস্যা হয়েছে। তাই এবার টম্যাটো চাষ খানিকটা পিছিয়ে গিয়েছে হলদিবাড়িতে। তবে পরিস্থিতির উপর দপ্তরের নজর রয়েছে।
হলদিবাড়ির টম্যাটো চাষি শৈলেন রায়, মৃণাল রায় বলেন, এ বছর বর্ষা মরশুমের শেষের দিকে ভারী বৃষ্টিপাতে ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার জমি জলের তলায় চলে গিয়েছিল। জল নামার পরেও দীর্ঘদিন জমি ভিজে ছিল। তাই সময়মতো টম্যাটোর জলদি চাষ করা সম্ভব হয়নি। তবুও অনেক চাষি এভাবেই টম্যাটোর চারা লাগিয়েছিলেন। পরে অত্যধিক কুয়াশার কারণে তাও নষ্ট হয়ে যায়। এতেই বেশকিছুটা সময় পিছিয়ে যায় টম্যাটোর চাষ। তারপরও হলদিবাড়ি বাজারে ৩-৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে টম্যাটো। সেই টম্যাটো বিক্রি করে জমিতে দেওয়া কীটনাশক কেনার টাকা হচ্ছে না। আমরা চাই, হলদিবাড়িতে টম্যাটো সহ বিভিন্ন ফসল রাখার হিমঘর তৈরির ব্যবস্থা গ্রহণ করুক প্রশাসন।
হলদিবাড়ি ভেজিটেবল লোডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক দিগ্বিজয় সরকার জানিয়েছেন, অন্য রাজ্যে লোকাল টম্যাটো থাকায় এখানকার টম্যাটোর চাহিদা তেমন নেই। ফলে এখন পিকআপ ভ্যানে করে স্থানীয় বাজারে টম্যাটো পাঠানো হচ্ছে। তাই টম্যাটোর তেমন দাম নেই। আগামীতে পাইকারি বাজারে আরও দাম কমতে পারে। হলদিবাড়ির টম্যাটো ব্যবসায়ী জাহিদুল হক সরকার বলেন, বৃহস্পতিবার হলদিবাড়ি বাজারে ৩-৪ টাকা কেজি দরে টম্যাটো বিক্রি হয়েছে।
এ বিষয়ে হলদিবাড়ি উদ্যানপালন বিভাগের ক্ষেত্র পরামর্শদাতা মানস মিত্র বলেন, বর্ষার মরশুমের শেষের দিকে অত্যধিক বৃষ্টির জন্য বীজতলা তৈরি সহ চাষের জমি বানাতে সমস্যা হয়েছে। তাই এবার টম্যাটো চাষ খানিকটা পিছিয়ে গিয়েছে হলদিবাড়িতে। তবে পরিস্থিতির উপর দপ্তরের নজর রয়েছে।
হলদিবাড়ির টম্যাটো চাষি শৈলেন রায়, মৃণাল রায় বলেন, এ বছর বর্ষা মরশুমের শেষের দিকে ভারী বৃষ্টিপাতে ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার জমি জলের তলায় চলে গিয়েছিল। জল নামার পরেও দীর্ঘদিন জমি ভিজে ছিল। তাই সময়মতো টম্যাটোর জলদি চাষ করা সম্ভব হয়নি। তবুও অনেক চাষি এভাবেই টম্যাটোর চারা লাগিয়েছিলেন। পরে অত্যধিক কুয়াশার কারণে তাও নষ্ট হয়ে যায়। এতেই বেশকিছুটা সময় পিছিয়ে যায় টম্যাটোর চাষ। তারপরও হলদিবাড়ি বাজারে ৩-৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে টম্যাটো। সেই টম্যাটো বিক্রি করে জমিতে দেওয়া কীটনাশক কেনার টাকা হচ্ছে না। আমরা চাই, হলদিবাড়িতে টম্যাটো সহ বিভিন্ন ফসল রাখার হিমঘর তৈরির ব্যবস্থা গ্রহণ করুক প্রশাসন।
হলদিবাড়ি ভেজিটেবল লোডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক দিগ্বিজয় সরকার জানিয়েছেন, অন্য রাজ্যে লোকাল টম্যাটো থাকায় এখানকার টম্যাটোর চাহিদা তেমন নেই। ফলে এখন পিকআপ ভ্যানে করে স্থানীয় বাজারে টম্যাটো পাঠানো হচ্ছে। তাই টম্যাটোর তেমন দাম নেই। আগামীতে পাইকারি বাজারে আরও দাম কমতে পারে। হলদিবাড়ির টম্যাটো ব্যবসায়ী জাহিদুল হক সরকার বলেন, বৃহস্পতিবার হলদিবাড়ি বাজারে ৩-৪ টাকা কেজি দরে টম্যাটো বিক্রি হয়েছে।



