এখনই সতর্ক না হলে সাগরদ্বীপকে গিলে খাবে সমুদ্র, পদক্ষেপের নির্দেশ, অস্তিত্ব সংকটে কপিলমুনির আশ্রম
  • ৩ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এখনই সতর্ক না হলে সমুদ্র গিলে খাবে গোটা সাগর দ্বীপ। সলিল সমাধি ঘটবে কপিল মুনির আশ্রমেরও! আগাম এই আশঙ্কা আঁচ করতে পরেই কপিল মুনির আশ্রম ও সাগর দ্বীপ বাঁচাতে রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে এক গুচ্ছ পদক্ষেপের নির্দেশ দিল ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইবুনাল(এনজিটি)। বিচারপতি অরুণ কুমার ত্যাগী ও বিশেষজ্ঞ সদস্য ডঃ এ সেন্থিল ভেল ও ঈশ্বর সিং-এর বেঞ্চের নির্দেশ, ন্যাশনাল সেন্টার ফর সাসটেইনেবল কোস্টাল ম্যানেজমেন্ট (নিসিএসসিএম) এবং ইন্টিগ্রেটেড কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট (আইসিজেডএম) সাগর দ্বীপ বাঁচাতে যে পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছে, আগামী ৬ মাসের মধ্যে তা কার্যকর করতে হবে। সাগর দ্বীপে দিনের পর দিন সমুদ্রের জলস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি হচ্ছে। যে কারণে ক্ষয় হচ্ছে উপকূলভাগের অংশ। ফলে সমুদ্রের পাড় বলতে যা বোঝায়, তার মানচিত্র প্রতিদিন বদলে যাচ্ছে। এমন তথ্য সামনে আসার পর স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করে এনজিটির পূর্বাঞ্চলীয় বেঞ্চ। সেই মামলাতেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এনসিএসসিএমের এক অন্তর্বর্তী রিপোর্টে উঠে এসেছে, সাগর দ্বীপে স্বল্প সময়ের মধ্যে ৪৪.৫৫ শতাংশ সমুদ্র তীরবর্তী অংশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে। এছাড়াও দীর্ঘকাল ধরে সেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৫৪.৬৭ শতাংশ। যার প্রেক্ষিতে তারা ওই সুপারিশ করেছে। অবিলম্বে সাগর দ্বীপের সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় পলি ক্ষয় হ্রাস করতে ব্যপকভাবে ম্যানগ্রোভ রোপণ করতে হবে। বিশেষ করে কপিলমুনির আশ্রম চত্বরে প্লাস্টিক ও অন্যান্য ক্ষতিকারক বর্জ্য সাগরে যাতে না মিশতে পারে, তার জন্য পদক্ষেপ করতে হবে। এছাড়াও সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা সংক্রান্ত আইসিজেডএম প্ল্যান কার্যকর করতে সুপারিশ করা হয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট অথরিটিকে এই নির্দেশ কার্যকর করে একটি বিস্তারিত রিপোর্টও জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এনজিটি। 

Advertisement