Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সিএএ আবেদনের প্রক্রিয়া সরলীকরণ করার আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের

সিএএতে আবেদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে এদেশে আসার প্রমাণ দেওয়া বহু উদ্বাস্তুর কাছে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বিষয়টি বিজেপিকে ফেলেছে সমস্যায়।

সিএএ আবেদনের প্রক্রিয়া সরলীকরণ করার আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের
  • ২৬ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: বিধানসভা ভোটের আগে সিএএ বিষয়টিকে হাতিয়ার করে প্রচার চালিয়েছিল তৃণমূল। অন্যদিকে প্রচারে সিএএ ছিল বিজেপির হাতিয়ার। সিএএতে আবেদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে এদেশে আসার প্রমাণ দেওয়া বহু উদ্বাস্তুর কাছে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বিষয়টি বিজেপিকে ফেলেছে সমস্যায়। অবশেষে সিএএ আবেদনের প্রক্রিয়া সরলীকরণের আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। সোমবার বনগাঁয় একটি অনুষ্ঠানে এসে মন্ত্রী দাবি করেন, সিএএ’তে আবেদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পরিচয়পত্রকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যায় কি না সে ভাবনা চলছে। এটা জটিল প্রক্রিয়া। অনেকের কাছে বাংলাদেশ থেকে আসার প্রমাণ নেই। আমি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি সরল করার ভাবনাচিন্তা নিশ্চয় হবে। অল ইন্ডিয়া মতুয়া সংঘের সাধারণ সম্পাদক সুকেশ চৌধুরী বলেন, আমরা প্রথম থেকেই সিএএ সরল করার দাবি করেছিলাম। মন্ত্রী যা বলেছেন তা বাস্তব হলে আমাদের উপকার হবে।

Advertisement

বনগাঁ নীলদর্পণ প্রেক্ষাগৃহে এদিন অনুষ্ঠান হয়। উপস্থিত ছিলেন হাবড়ার বিধায়ক তথা বনগাঁ পুরসভার কাউন্সিলার দেবদাস মণ্ডল। বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তৃণমূলের আমলে এই প্রেক্ষাগৃহে বিজেপি নেতা-কর্মীদের প্রবেশাধিকার ছিল না। অনুষ্ঠান করার জন্য ভাড়া দেওয়া হত না। আমাদের কর্মীদের উপর অত্যাচার করা অনেকেই ৪ তারিখের পর গেরুয়া আবির মেখে বিজেপি হওয়ার চেষ্টা করছে। তাঁদের কাউকে দলে নেওয়া হবে না। পাশাপাশি নাম না করে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের হুঁশিয়ারিও দেন বিধায়ক। বলেন, ২০১৮ সাল থেকে আমাদের কর্মীদের যাঁরা ঘুমোতে দেয়নি। বিনা দোষে কেস দিয়ে জেলে ঢুকিয়েছে, তাঁদের কাউকে ঘুমোতে দেব না। সময় আসার পর সকলে তা টের পাবেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ