নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সংরক্ষিত কোচে অসংরক্ষিত শ্রেণির যাত্রীদের উঠে পড়া, অপরিচ্ছন্ন শৌচালয় বা অপরিষ্কার করিডর—সাধারণ স্লিপার কোচ নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। এবার স্লিপার কোচের পাশাপাশি যাত্রীদের অভিযোগের কাঠগড়ায় থার্ড এসি কামরাও। লক্ষণীয় বিষয়, সাধারণ মেল, এক্সপ্রেসের পাশাপাশি এ সংক্রান্ত অভিযোগ উঠছে রাজধানী এক্সপ্রেস নিয়েও।
সম্প্রতি হাওড়া নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসে চেপে দিল্লিতে ফিরছিলেন এক যাত্রী। থ্রি টিয়ার এসি ক্লাসের বি-৯ কোচে আসন ছিল তাঁর। ট্রেনের নিয়মমতো খাবার সরবরাহ করা হয়। নির্দিষ্ট সময় পরে খাবারের প্লেট, ট্রে সরিয়ে নিয়ে যান দায়িত্বপ্রাপ্ত রেল কর্মীরা। কিছুক্ষণ পরে ট্রেনের শৌচালয়ে যেতে গিয়েও থমকে যান ওই যাত্রী। কারণ, থার্ড এসি কামরার শৌচালয়ের সামনে ডাঁই করে রাখা হয়েছিল উচ্ছিষ্ট খাবার। এমনকি শৌচালয় থেকেও আসছিল দুর্গন্ধ। সব মিলিয়ে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। অন্য যাত্রীরাও সরব হন। যাত্রীদের অসন্তোষ টের পেয়ে মুহূর্তের মধ্যেই যাবতীয় উচ্ছিষ্ট সরিয়ে ফেলে ওই জায়গা পরিষ্কার করে দেওয়া হয়।
রেল যাত্রীদের একাংশের দাবি, এটি একদিনের ঘটনা নয়। যাঁরা নিয়মিত ট্রেনের থার্ড এসি কোচে সফর করেন, তাঁদের হামেশাই এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়। বিশেষ করে যেসব রেল যাত্রীর আসন একেবারে শৌচালয়ের সামনে, তাঁদের অবস্থা আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। সম্প্রতি আমেদাবাদ-মুম্বই তেজস রাজধানী এক্সপ্রেসের খাবারে মরা মাছি পাওয়া গিয়েছে। তা নিয়ে বিতর্কের রেশ এখনও কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে রাজধানী এক্সপ্রেস নিয়েই নয়া অভিযোগে অস্বস্তিতে রেল কর্তৃপক্ষ। যদিও নির্দিষ্ট করে এনিয়ে রেল কোনো মন্তব্য করেনি। মন্ত্রক সূত্রে শুধু দাবি করা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের বিরতিতে অন-বোর্ড হাউসকিপিং কর্মীদের ট্রেনের কামরা পরিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া আছে। সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ এলে পদক্ষেপ করা হবে।