


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নিয়োগ দুনীর্তি মামলায় ‘রাজসাক্ষী’ কল্যাণময় ভট্টাচার্যের মামা আবারও ভাগ্নের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে সাক্ষ্য দিলেন। এ নিয়ে আবারও শোরগোল সৃষ্টি হল। মঙ্গলবার কলকাতার বিচারভবনের বিশেষ আদালতে ছিল এই মামলার শুনানি। সেখানেই সাক্ষ্য দিতে গিয়ে কল্যাণময়ের মামা অভিযোগ করেন, ভাগ্নেই তাঁর বিভিন্ন সংস্থার যাবতীয় কাজকর্ম দেখভাল করতেন। এই মামলায় অভিযুক্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কৌঁসুলি বিপ্লব গোস্বামী কল্যাণময়ের মামাকে এদিন প্রশ্ন করেন, একটি সংস্থায় নানা কাজের জন্য দশ লক্ষ টাকা খরচ করা হয়েছিল। তার মধ্যে তিনি কি পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন? প্রত্যুত্তরে কল্যাণময়ের মামার বক্তব্য, তিনি কোনও টাকা দেননি। দশ লক্ষ টাকা ভাগ্নেই দিয়েছিলেন। এদিনও নানা প্রশ্নের উত্তরে ওই সাক্ষী বার বার দাবি করেন, তাঁর সমস্ত সংস্থার কাজকর্ম দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন তাঁর ভাগ্নে। তাঁর কোম্পানির অ্যাকাউন্ট দেখাশোনা কল্যাণময়ই করতেন। সোমবারও এই সাক্ষী আদালতে দাবি করেন, তাঁর কোম্পানিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা সত্ত্বেও সমস্ত কাগজ না-পড়েই ভাগ্নের কথায় সরল বিশ্বাসে তিনি নথিপত্রে সই দিতেন। প্রসঙ্গত, কল্যাণময়ের শ্বশুর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও এই মামলায় অভিযুক্ত। ‘রাজসাক্ষী’ হওয়ার পর অভিযুক্তের তালিকা থেকে কল্যাণময় অব্যাহতি পান। কিন্তু তারপরেই এই মামলার শুনানিতে ‘রাজসাক্ষী’ ভাগ্নের বিরুদ্ধে মামা একের পর এক গুরুতর অভিযোগ আনছেন! তা ঘিরে উঠেছে প্রশ্ন।