সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদের পক্ষে নয় তাঁর সরকার। এমনটাই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে চলেছে নবদ্বীপ পুরসভা। রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া হকারদের জন্য ৮০টি দোকানঘর পুরসভা তৈরি করে দিচ্ছে।
Advertisement
রাস্তাজুড়ে অস্থায়ী দোকান পেতে দিনের পর দিন এক শ্রেণির ব্যবসায়ী ব্যবসা করছিল। এর ফলে পথচারীদের যাতায়াতের অসুবিধা হচ্ছিল। পুরসভা রাস্তা থেকে সেই সব হকারদের সরিয়ে দেয়। কয়েক মাস আগে গুরুত্বপূর্ণ সব রাস্তা থেকে অস্থায়ী দোকান তুলে দেওয়া হয়। এবার সেই সব হকারদের পুনর্বাসনের জন্য পুরসভার পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় দোকান ঘর তৈরি করা হয়েছে। প্রায় ৮০টি ঘর তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে। জানা গিয়েছে, দোকানগুলি তৈরি করতে পুরসভার তহবিল থেকে খরচ হয়েছে প্রায় তিন কোটি টাকা। আগামী এক মাসের মধ্যেই এইসব দোকানঘরগুলি উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীদের দেওয়া হবে বলে জানালেন নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা।
বিমানবাবু বলেন, চৈতন্যের জন্মভূমি বৈষ্ণবতীর্থ নবদ্বীপ শহরকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই হেরিটেজ ঘোষণা করেছেন। প্রাচীন এই শহরের রাস্তাঘাট এমনিতেই সংকীর্ণ। তার মধ্যে শহরের একাধিক জায়গায় অস্থায়ী দোকানের কারণে যানজট লেগেই থাকতো। স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে বাইরে থেকে আসা পুণ্যার্থী ও পর্যটকরা সমস্যায় পড়তেন। সে কারণে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বেশ কয়েক মাস আগেই শুরু হয় হকার উচ্ছেদ। এখন তাদেরই পুনর্বাসনের জন্য দোকান ঘর তৈরি হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে সেই সব ব্যবসায়ীদের হাতে দোকান ঘর তুলে দেওয়া হবে। আগামীদিন শহরের রাস্তা দখল করে থাকা অস্থায়ী বাকি দোকানগুলিও তুলে দেওয়া হবে। সেইসব ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের জন্যও যথারীতি দোকান ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে। সেজন্য জায়গাও দেখেছে পুরসভা। এরই মধ্যে নবদ্বীপ মণিপুরঘাট রোডে আরও ১০টি দোকান ঘর তৈরির কাজ শুরু হবে। উল্লেখ্য, নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ঢোকার প্রবেশ পথে দুদিকে ১৬টি দোকান, কপালি পাড়ায় ৮টি, অশোকতলায় ৮টি, দন্ডপাণিতলায় ১৬টি, নবদ্বীপ শ্মশানঘাটের ঊষারানি পদ্মাঘাট রোডে ৮টি, দেয়ারাপাড়া ঘাট রোডে ৮টি দোকান তৈরি হয়েছে। এক
মাসের মধ্যে সেই সব দোকান নিয়ম মেনে দেওয়া হবে ওই সব ব্যবসায়ীদের। -নিজস্ব চিত্র
বিমানবাবু বলেন, চৈতন্যের জন্মভূমি বৈষ্ণবতীর্থ নবদ্বীপ শহরকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই হেরিটেজ ঘোষণা করেছেন। প্রাচীন এই শহরের রাস্তাঘাট এমনিতেই সংকীর্ণ। তার মধ্যে শহরের একাধিক জায়গায় অস্থায়ী দোকানের কারণে যানজট লেগেই থাকতো। স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে বাইরে থেকে আসা পুণ্যার্থী ও পর্যটকরা সমস্যায় পড়তেন। সে কারণে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বেশ কয়েক মাস আগেই শুরু হয় হকার উচ্ছেদ। এখন তাদেরই পুনর্বাসনের জন্য দোকান ঘর তৈরি হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে সেই সব ব্যবসায়ীদের হাতে দোকান ঘর তুলে দেওয়া হবে। আগামীদিন শহরের রাস্তা দখল করে থাকা অস্থায়ী বাকি দোকানগুলিও তুলে দেওয়া হবে। সেইসব ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের জন্যও যথারীতি দোকান ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে। সেজন্য জায়গাও দেখেছে পুরসভা। এরই মধ্যে নবদ্বীপ মণিপুরঘাট রোডে আরও ১০টি দোকান ঘর তৈরির কাজ শুরু হবে। উল্লেখ্য, নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ঢোকার প্রবেশ পথে দুদিকে ১৬টি দোকান, কপালি পাড়ায় ৮টি, অশোকতলায় ৮টি, দন্ডপাণিতলায় ১৬টি, নবদ্বীপ শ্মশানঘাটের ঊষারানি পদ্মাঘাট রোডে ৮টি, দেয়ারাপাড়া ঘাট রোডে ৮টি দোকান তৈরি হয়েছে। এক
মাসের মধ্যে সেই সব দোকান নিয়ম মেনে দেওয়া হবে ওই সব ব্যবসায়ীদের। -নিজস্ব চিত্র



