নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: উচ্চ হারে ইপিএফের পেনশন নিয়ে এবার নিয়োগকারী সংস্থাগুলিকে চরম সময়সীমা দিল শ্রমমন্ত্রকের আওতাধীন কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠন (ইপিএফও)। বুধবার শ্রমমন্ত্রক জানিয়েছে, আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে এই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাদির উল্লেখ করতে হবে সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃপক্ষকে। এর মধ্যে থাকবে কর্মী পিএফের আওতাভুক্ত কর্মচারীদের বেতনের মতো একাধিক তথ্য। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতিপূর্বে একাধিকবার এই সংক্রান্ত সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও দেখা যাচ্ছে যে, তিন লক্ষেরও বেশি আবেদন অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে এই কাজ সম্পূর্ণ করতেই হবে।
Advertisement
শ্রমমন্ত্রকের বিবৃতিতেই পরিষ্কার যে, উচ্চ হারে ইপিএফ পেনশন প্রাপ্তির জন্য আবেদন সংশোধনের সময়সীমা আর বৃদ্ধি করা হবে না। এদিন একইসঙ্গে মন্ত্রক জানিয়েছে, ৪ লক্ষ ৬৬ হাজারেরও বেশি এমন আবেদন রয়েছে, যেগুলিতে অতিরিক্ত তথ্য কিংবা ক্ল্যারিফিকেশন প্রয়োজন। আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে তা উল্লেখ করতে হবে সংশ্লিষ্ট সংস্থা প্রতিষ্ঠানগুলিকে। ২০২২ সালের ৪ নভেম্বর ইপিএফের উচ্চ হারে পেনশন প্রাপ্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। তারপরই এই ব্যাপারে পদক্ষেপ করে শ্রমমন্ত্রক এবং ইপিএফও।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর দু’বছরেরও বেশি সময় কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত এই ব্যবস্থা পুরোপুরি বাস্তবায়িত করতে পারেনি মোদি সরকার। ফলে ইপিএফ গ্রাহকরা বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। এমনই অভিযোগ সর্বভারতীয় শ্রমিক সংগঠনগুলির। প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে ইপিএফ গ্রাহকদের বেতন যতই হোক না কেন, তাঁর কর্মী পিএফ খাতে পেনশনের কন্ট্রিবিউশন জমা পড়ে মাসে ১৫ হাজার টাকা মাইনের উপর ভিত্তি করেই। ফলে উচ্চ আয়ের ইপিএফ গ্রাহকরাও পেনশন হিসেবে খুব বেশি টাকা পান না। কিন্তু উচ্চ হারে পেনশন ব্যবস্থা চালু হলে একজন ইপিএফ গ্রাহক মাসে যে টাকা বেতন পান, তার উপরই জমা পড়বে পেনশনের প্রদেয় অর্থ। অর্থাৎ, নতুন নিয়ম চালু হলে ইপিএফ পেনশনের ক্ষেত্রে আর মাসিক বেতনের কোনও ঊর্ধ্বসীমা থাকবে না।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর দু’বছরেরও বেশি সময় কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত এই ব্যবস্থা পুরোপুরি বাস্তবায়িত করতে পারেনি মোদি সরকার। ফলে ইপিএফ গ্রাহকরা বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। এমনই অভিযোগ সর্বভারতীয় শ্রমিক সংগঠনগুলির। প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে ইপিএফ গ্রাহকদের বেতন যতই হোক না কেন, তাঁর কর্মী পিএফ খাতে পেনশনের কন্ট্রিবিউশন জমা পড়ে মাসে ১৫ হাজার টাকা মাইনের উপর ভিত্তি করেই। ফলে উচ্চ আয়ের ইপিএফ গ্রাহকরাও পেনশন হিসেবে খুব বেশি টাকা পান না। কিন্তু উচ্চ হারে পেনশন ব্যবস্থা চালু হলে একজন ইপিএফ গ্রাহক মাসে যে টাকা বেতন পান, তার উপরই জমা পড়বে পেনশনের প্রদেয় অর্থ। অর্থাৎ, নতুন নিয়ম চালু হলে ইপিএফ পেনশনের ক্ষেত্রে আর মাসিক বেতনের কোনও ঊর্ধ্বসীমা থাকবে না।



