Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হেঁটেই প্রচার, বুড়ো হাড়ে ভেলকি দুই প্রবীণ প্রার্থীর

একজন বয়সে হীরক জয়ন্তী অতিক্রম করেছেন। অন্যজন আশি ছুঁই ছুঁই। দু’জনেই আসন্ন নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় তৃণমূলের প্রবীণ প্রার্থী।

হেঁটেই প্রচার, বুড়ো হাড়ে ভেলকি দুই প্রবীণ প্রার্থীর
  • ৬ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: একজন বয়সে হীরক জয়ন্তী অতিক্রম করেছেন। অন্যজন আশি ছুঁই ছুঁই। দু’জনেই আসন্ন নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় তৃণমূলের প্রবীণ প্রার্থী। একজন লড়ছেন সাগর বিধানসভা আসন থেকে। তিনি সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। দ্বিতীয়জন পাথরপ্রতিমার সমীরকুমার জানা। দু’জনেই অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক। ভোটের উত্তাপের সঙ্গে এখন গরমের পারদও ঊর্ধ্বমুখী। চড়া রোদ থেকে নিষ্কৃতি পেতে অনেক প্রার্থীই হুডখোলা গাড়ি বা টোটোয় উঠে ছাতা মাথায় এলাকা পরিক্রমা করছেন। কিন্তু এই দুই প্রার্থীর ক্ষেত্রে সেসব যেন বিলাসিতা। গাড়ি, টোটো সরিয়ে হেঁটেই বুড়ো হাড়ে ভেলকি দেখাচ্ছেন তাঁরা।

Advertisement

নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে তুলনায় কমবয়সি প্রার্থীদের গাড়ি বা টোটো করে প্রচার করতে দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ মাঝেমধ্যে হেঁটে জনসংযোগ করছেন। কয়েকজন প্রার্থীর কথায়, হেঁটে প্রচার করলে বড্ড সময় লাগে। তবে এটা ঠিক যে, তাতে নিবিড় জনসংযোগে সুবিধা হয়। কেন্দ্র বড়ো হলে প্রচারের চাপ থাকে, তাই সময় বাঁচাতে গাড়ি নিতে হয়। সমীরবাবু কিংবা বঙ্কিমবাবু জমায়েতস্থল পর্যন্ত গাড়িতে গেলেও তারপর হেঁটেই ঘুরছেন এলাকা। কথা বলছেন বাসিন্দাদের সঙ্গে, শুনছেন অভাব-অভিযোগ। পাথরপ্রতিমার মতো দ্বীপাঞ্চলে গাড়ি নিয়ে ঘোরার পক্ষপাতী নন সমীরবাবু। তাঁর কথায়, হেঁটে মানুষের কাছে পৌঁছালে তাঁদের সুবিধা-অসুবিধা ভালো বোঝা যায়। বঙ্কিমবাবুও এ ব্যাপারে একমত। এমনিতেই দুই প্রার্থী সারা বছরই নিজের নিজের এলাকায় ঘুরে বেড়ান। সুখ-দুঃখে মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেন। ভোট এলেও সেই রুটিনে বদল হয়নি। বয়সকে তুড়ি মেরে ফিটনেসে নতুন প্রজন্মের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন দু’জনেই। সমীরবাবুর কথায়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে আলাদা এনার্জি পাই। সেটাই আমার রসদ। এখন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রচার চলছে। বঙ্কিম হাজরা বলেন, গরমের কারণে সকাল সকাল প্রচার করতে বেরিয়ে পড়ছি। মানুষের অভূতপূর্ব সারা পাওয়ায় সব ক্লান্তি দূর হয়ে যাচ্ছে। অন্যান্য সময় যেখানে দিনে দু’-তিন কিলোমিটার হাঁটাহাঁটি হত, সেখানে এখন পাঁচ-সাত কিলোমিটার হাঁটছেন দুই বর্ষীয়ান নেতা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ