নিজস্ব প্রতিনিধি, সংবাদদাতা: একদিকে এসআইআর আতঙ্ক। অন্যদিকে, হয়রানির অভিযোগ। শুনানি আবহে শহরতলিতে ফের মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। হুগলির রিষড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলায় এসআইআর আতঙ্কে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। শুনানি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনকেই কাঠগড়ায় তুলেছে তৃণমূল। শনিবার রাতে শ্রীরামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মহম্মদ সিরাজউদ্দিন (৭০)। রিষড়ার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। তারপরেই এসআইআর প্রক্রিয়াকে দুষেছে মৃতের পরিবার। সেই অভিযোগে সুর মিলিয়েছেন তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল সিরাজউদ্দিনের। তারপরেও তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়। এনিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন। শনিবার তিনি শুনানিতে গিয়েছিলেন। সেখানে বেলা ১টা থেকে ৫টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। তারপরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাঁকে শ্রীরামপুরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাপানউতোর শুরু হয়েছে। মৃতের পরিবারের দাবি, ৭০ বছর বয়সে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ধকল নিতে পারেননি বৃদ্ধ। তার জেরেই মৃত্যু হয়েছে। রিষড়ার মতোই এসআইআর আতঙ্কে ‘বলি’ জীবনতলার এক বৃদ্ধা। মৃতের নাম গৌরী বেরা (৬৫)। তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় এসআইআর প্রক্রিয়াকেই দায়ী করেছেন তাঁর আত্মীয়রা। বাড়ি জীবনতলা থানার মাকালতলা এলাকায়। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই মহিলা এসআইআর আতঙ্কে ভুগছিলেন। শনিবার রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। ক’দিন ধরেই স্থানীয়দের তিনি বলছিলেন, ভোটার তালিকায় তাঁর নাম নেই। ফলে ভোটার কার্ডও নেই। এদিকে, শুনানিতে ডাক পেয়ে রবিবার বারুইপুরের মল্লিকপুর গার্লস হাইস্কুলে যান প্রাক্তন তারকা ফুটবলার মেহতাব হোসেন। তাঁর মায়ের নামের সমস্যার জন্য তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়।



