Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বেলডাঙায় ৩১১টি অ্যাক্টিভেট সিম সহ ধৃত দুই ভাই

রেজিনগরের পর বেলডাঙায় প্রচুর সংখ্যায় অ্যাক্টিভেট সিমসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতদের নাম আশিক ইকবাল এবং বুরহান শেখ।

বেলডাঙায় ৩১১টি অ্যাক্টিভেট সিম সহ ধৃত দুই ভাই
  • ৩১ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: রেজিনগরের পর বেলডাঙায় প্রচুর সংখ্যায় অ্যাক্টিভেট সিমসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতদের নাম আশিক ইকবাল এবং বুরহান শেখ। তারা সম্পর্কে দুই ভাই। তাদের বাড়ি বেলডাঙার বিলধরপাড়া এলাকায়। ধৃতদের কাছ থেকে পৃথক পাঁচটি কোম্পানির ৩১১টি সিম উদ্ধার হয়েছে। এই সিমগুলির অধিকাংশই ছিল অন্য ব্যক্তির নামে অ্যাক্টিভেট করা। ধৃতকে শনিবার মুর্শিদাবাদ জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচ দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। 

Advertisement

বেলডাঙার এসডিপিও উত্তম গড়াই বলেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযুক্ত দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ মতো তাদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করা হচ্ছে। বেশকিছু তথ্য পেয়েছি। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বেশ কয়েকজন এজেন্ট এই দুই ভাইয়ের কাছ থেকে সিমগুলি নিয়ে যেত। কতদিন ধরে তারা এই বেআইনি সিমের কারবার করছে এবং কোথায় কোথায় পৌঁছে দিত, তা আমরা খতিয়ে দেখছি। 
গোটা দেশজুড়ে কোটি কোটি টাকার সাইবার প্রতারণার মামলায় যে সমস্ত মোবাইল সিমের ব্যবহার হয়েছে, সেই সিমের অধিকাংশ সরবরাহ হয়েছে মুর্শিদাবাদ থেকে। বেশ কয়েকটি মামলার তদন্তে নেমে সাইবার ক্রাইম থানার পুলিস আধিকারিকরা এমনই তথ্য পেয়েছে। হাজার হাজার প্রি-অ্যাক্টিভেট সিম হাত বদল হয়ে পৌঁছে গিয়েছে সাইবার প্রতারকদের হাতে। বেলডাঙা এবং রেজিনগরের সাধারণ মানুষের নামে অ্যাক্টিভেট হওয়া এক একটি সিম থেকেই হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা। এই সিমের র‍্যাকেটের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। 
উল্লেখ্য, শুক্রবারই রেজিনগরের লোকনাথপুরের মাঝপাড়ার বাসিন্দা মিলন শেখকে গ্রেপ্তার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিস। সে ওই এলাকায় সিমের পয়েন্ট অফ সেল বা পস চালাত। সেখানে সাধারণ মানুষ যে সমস্ত সিম কিনতে আসত, তাদের নামেই অতিরিক্ত সিম অ্যাক্টিভেট করে নিজের কাছে রেখে দিয়ে পরে সেগুলি চড়া দামে বিক্রি করত। এজেন্ট মারফত সাইবার প্রতারকদের হাতে তুলে দিলেই মিলত মোটা অঙ্কের টাকা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ