Bartaman Logo
১৫ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

পরমাণু চুক্তি না করলে ইরানকে ফল ভুগতে হবে, কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের! আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আর্জি ভারতের

পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা। ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে ইজরায়েলের এয়ার স্ট্রাইক ও তেহরানের প্রত্যাঘাত ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। দুই দেশের এই সংঘাত ঘিরে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। উঠছে উত্তেজনা প্রশমনের দাবি।

পরমাণু চুক্তি না করলে ইরানকে ফল ভুগতে হবে, কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের! আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আর্জি ভারতের
  • ১৪ জুন, ২০২৫ ০৪:০১
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা। ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে ইজরায়েলের এয়ার স্ট্রাইক ও তেহরানের প্রত্যাঘাত ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। দুই দেশের এই সংঘাত ঘিরে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। উঠছে উত্তেজনা প্রশমনের দাবি। এদিকে এই হামলার মধ্যেই তেহরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, পরমাণু চুক্তি না করলে আরও ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে ইরানকে। ওদের কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। খুব বেশি দেরি হওয়ার আগে এই চুক্তি ওদের করা উচিত। ঘটনাচক্রে, ইরান ও ইজরায়েল— দুই দেশের সঙ্গেই ভারতের সুসম্পর্ক। এই অবস্থায় দুই দেশের প্রতিই উত্তেজনা প্রশমনের আর্জি জানিয়েছে দিল্লি। শুক্রবার ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, আলোচনা ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা উচিত। গোটা পরিস্থিতির দিকে ভারত নজর রাখছে। 

Advertisement

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভারতীয় নাগরিকদের ওই দুই দেশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইজরায়েল ও ইরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাদের মাধ্যমে সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দের প্রতি নিরাপত্তা সংক্রান্ত বেশ কিছু পরামর্শ জারি করা হয়েছে।
আমেরিকার তরফে দাবি করা হয়, পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘাতের নেপথ্যে তাদের কোনও হাত নেই। মার্কিন বিদেশ সচিব মারকো রুবিও ওয়াশিংটনে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই হামলায় আমরা জড়িত নই। ওই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর নিরাপত্তা রক্ষাই আমাদের অগ্রাধিকার। মার্কিন বাহিনীকে নিশানা বানানো উচিত নয় ইরানের। যদি ও রুবিও এই দাবি করলেও ইজরায়েলি আক্রমণের নেপথ্যে মার্কিন ভূমিকার বিষয়টি ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রাম্প এই হামলাকে কার্যত সমর্থন করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরানকে পরমাণু চুক্তির জন্য বার বার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এরপরও এব্যাপারে রাজি না হলে কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে ওদের। এব্যাপারে অবশ্য সুর কিছুটা নরম করে ইরানকে দ্বিতীয় সুযোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন মার্কিন ট্রাম্প। 
এরই মধ্যেই ইজরায়েলের এই ‘আগ্রাসন’কে অযৌক্তিক ও বেআইনি বলে নিন্দা করে ইরানের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান। শান্তির বার্তা এসেছে চীনের তরফে। চীনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়াং ইজরায়েলের পদক্ষেপের সমালোচনা করে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আর্জি জানিয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির নিন্দা করেছে রাষ্ট্রসঙ্ঘও। এক বিবৃতিতে দুই দেশকেই সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারও একই আবেদন জানিয়েছেন।  ইজরায়েলের পদক্ষেপের নিন্দা করেছে সৌদি আরব ও ওমান। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ