Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

খামেনেইয়ের দেহের ছবি দেখানো হল ট্রাম্পকে, যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্বে সর্বোচ্চ নেতা: তেহরান

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এখন কোথায়? তিনি কি অক্ষত রয়েছেন? আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর এই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছে গোটা দুনিয়া।

খামেনেইয়ের দেহের ছবি দেখানো হল ট্রাম্পকে, যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্বে সর্বোচ্চ নেতা: তেহরান
  • ১ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়েছে। জোরালো দাবি আমেরিকা ও ইজরায়েলের। শুধু তাই নয়, খামেনেইয়ের দেহের ছবিও দেখানো হয়েছে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু  এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। এমনটাই দাবি করেছে ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২। শনিবার রাতে ভিডিয়ো বার্তায় ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে সুপ্রিম লিডারের মৃত্যুর জল্পনা উসকে দিয়ে বলেন, ‘খামেনেইয়ের মৃত্যুর লক্ষণ স্পষ্ট হয়েছে।’ এর পরেই একাধিক সংবাদমাধ্যমও একই দাবি করে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর ইজরায়েলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তাঁর বাসভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকেই মিলেছে তাঁর দেহ।’ যদিও এই দাবি সটান উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। তেহরান এখনও দাবি করে চলেছে, বহাল তবিয়তেই রয়েছেন খামেনেই। এমনকি যুদ্ধক্ষেত্রে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনিই।  

Advertisement

শনিবার সকালে হঠাত্ই রাজধানী তেহরান সহ ইরানের বিভিন্ন শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। হামলার মূল টার্গেট ছিলেন স্বয়ং খামেনেই। ইজরায়েলের এক আধিকারিকই জানিয়েছেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল। তাই এদিনের হামলার শুরুতেই তেহরানে খামেনেইয়ের বাসভবনের কাছে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ে। একটি উপগ্রহ চিত্রে সুরক্ষিত ওই বাসভবন চত্বর থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা গিয়েছে। দুরমুশ সংলগ্ন একাধিক ভবন। ইরান সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, খামেনেইকে যে আমেরিকা ও ইজরায়েল টার্গেট করবে, তার আগাম আন্দাজ ছিল। তাই অনেক আগেই সর্বোচ্চ নেতাকে তেহরান থেকে সুরক্ষিত জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইরানের আধাসরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, এদিন উত্তর তেহরানের শেমিরান এলাকায় প্রেসিডেন্ট প্যালেসের কাছেও অন্তত সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ে। যদিও  প্রেসিডেন্ট ওই হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছেন। ইরানের সরকার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে রেভল্যুশনারি গার্ডের একাধিক শীর্ষ কমান্ডার প্রাণ হারিয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে খামেনেইয়ের জামাই ও বউমার। প্রাণ হারিয়েছেন বহু রাজনৈতিক নেতাও। 
ইরানের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনই যে মূল লক্ষ্য তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানের জনগণকে তাঁর বার্তা, ‘আমাদের কাজ শেষ হলে আপনারা সরকারের দায়িত্ব নেবেন।’ বোমা থেকে বাঁচতে মানুষকে বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ