Bartaman Logo
১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

হয় অস্ত্রত্যাগ নাহলে নিশ্চিত মৃত্যু, ইরানের সেনাকে চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ইরানের সেনাবাহিনী বলে কিছু থাকবে না। ওদের ক্ষেপণাস্ত্র ও  নৌবাহিনীকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হবে। অপারেশন এপিক ফিউরি শুরুর পর ইরানের উদ্দেশে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

হয় অস্ত্রত্যাগ নাহলে নিশ্চিত মৃত্যু, ইরানের সেনাকে চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
  • ১ মার্চ, ২০২৬ ১০:০৩

ওয়াশিংটন: ইরানের সেনাবাহিনী বলে কিছু থাকবে না। ওদের ক্ষেপণাস্ত্র ও  নৌবাহিনীকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হবে। অপারেশন এপিক ফিউরি শুরুর পর ইরানের উদ্দেশে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালের মাধ্যমে ফ্লোরিডার বাড়ি থেকে এক বার্তায় ইরানের জনগণের কাছে সরকার বদলের ডাকও দিয়েছেন তিনি। ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে যে মার্কিন সৈন্যদের মৃত্যু হতে পারে, তারও ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন ট্রাম্প। বলেছেন, ‘আমেরিকার সাহসী হিরোদের হয়ত প্রাণ যাবে। কিন্তু তা মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।’ আমেরিকা যে ইরানে হামলা চালাতে পারে, তার ইঙ্গিত কিছুদিন ধরেই মিলছিল। পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমাগত সেনা সমাবেশ বৃদ্ধি করতে শুরু করেছিলেন তিনি। পাশাপাশি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করার জন্য তেহরানের সঙ্গে আলোচনাও চালিয়ে যাচ্ছিল ওয়াশিংটন। তবে, তা ফলপ্রসূ হয়নি। সংঘাতের আবহে শনিবার সৌদি আরব কাতার, সংযুক্ত আরব আমশাহির নেতৃত্বের পাশাপাশি ন্যাটোর সেক্রেটারির সঙ্গে ট্রাম্পের কথা হয়েছে বলে জানান হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট। 

Advertisement

এদিনের ভিডিয়ো বার্তায় ট্রাম্প এই অভিযান প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হল, ইরানের শাসনব্যবস্থা যেভাবে ঝুঁকির কারণ হচ্ছে, তা থেকে মার্কিন নাগরিকদের রক্ষা করা। ওরা ফের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি শুরু করেছে। দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে যা আমাদের ভালো বন্ধু ও ইউরোপের সঙ্গী, এবং বিদেশের মাটিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের ভয়ের কারণ হয়ে উঠছে। ভবিষ্যতে এই সমস্যা আমেরিকার মূল ভূখণ্ডেও চলে আসতে পারে।’ প্রাণ বাঁচাতে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড, পুলিশ, সেনাকে অস্ত্র নামিয়ে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান ট্রাম্প। তাঁর হুঁশিয়ারি হয় অস্ত্র ত্যাগ করুক, নাহলে মরতে হবে। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমাদের কাজ শেষ হলেই আপনারা সরকারের দায়িত্ব নিন। এই প্রজন্মের জন্য আপনাদের এটাই একমাত্র সুযোগ। স্বাধীনতা এখন আপনাদের হাতেই।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, এর আগেও ইরানে বোমা ফেলেছিল মার্কিন সেনা। কিছুদিন আগে ট্রাম্পের নির্দেশেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে আনে মার্কিন সেনা। দু’টি ক্ষেত্রেই আমেরিকার কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু এবার ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে যদি কোনো মার্কিন সেনার রক্ত ঝরে, তাহলে তা ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ, মার্কিন কংগ্রেস ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অনুমোদন দেয়নি। ঘরের রাজনীতি ট্রাম্প কীভাবে সামাল দেন, তার দিকে নজর থাকবে সকলের।

সম্পর্কিত সংবাদ