ওয়াশিংটন, ১৭ অক্টোবর: প্রায় তিনবছর অতিক্রান্ত। তবুও যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। একাধিক বৈঠক, আলোচনা। বাইরের দেশের পদক্ষেপ সবই ব্যর্থ। শেষ চেষ্টা করে যাচ্ছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আলাস্কায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন তিনি। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। কিয়েভ কিংবা মস্কো দুই পক্ষই যুদ্ধ থামাতে চাইছে না। এর মাঝেই ফের একবার যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করছেন ট্রাম্প। গতকাল, বৃহস্পতিবার পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথাও বলেছেন তিনি।
আজ, শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করার কথাও রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের। এর মাঝেই ট্রাম্প জানিয়েছেন পুতিনের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বৈঠক করবেন তিনি। হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ইস্যু- ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ থামানো। গতকাল, বৃহস্পতিবার পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘পুতিন আমাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানো নিয়ে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর বিষয়টি সাহায্য করবে রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ থামানোর ক্ষেত্রে।’
রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভালোই কথোপকোথন হয়েছে বলে জানান ট্রাম্প। যদিও গোটা বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন মত পোষণ করেছে মস্কো। রাশিয়ার প্রতিনিধি ইউরি উষাকভ জানিয়েছেন, মস্কোর তরফেই ট্রাম্পকে ফোনটি করা হয়েছিল। তবে কোনও সদর্থক আলোচনা নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করতেই এই ফোন গিয়েছিল ক্রেমলিনের তরফে। এমনটাই জানিয়েছেন ইউরি উষাকভ। তিনি জানিয়েছেন, পুতিন ট্রাম্পকে সতর্ক করেছেন যেন ইউক্রেনকে টোমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র না দেওয়া হয়। তেমনটা হলে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাবে ও দুই দেশের সম্পর্কে চিড় ধরবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও ও রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাম্প-পুতিনের বুদাপেস্টের বৈঠকের ব্যাপারে।