


পূর্বাশা দাস: ‘দাদামণি’র যাত্রাপথ সবে শুরু হয়েছে। এই চরিত্র কতটা উপভোগ করছেন?
ভাবনাটা আমার নতুন মনে হয়েছে। হিরো এখানে দাদার রূপে। টেলিভিশনে এই ধরনের গল্প আমি দেখিনি। দাদামণির মধ্যে অনেক আবেগ রয়েছে। দাদার পাশাপাশি একাধারে মা এবং বাবার ভূমিকাও পালন করবে সে।
• ধারাবাহিকের সাফল্য কি বাড়তি টেনশন তৈরি করে?
বাড়তি উত্তেজনা কাজ করে। কারণ চিত্রনাট্যে কী গল্প ভবিষ্যতে আসবে, সেটা জানার জন্য একটা কৌতূহল থাকে। সর্বোপরি আমি প্রতিনিয়ত নিজেকে চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলতে ভালোবাসি। কীভাবে নিজের কাজ আরও ভালো হতে পারে, সেটাই মাথায় ঘোরে। একটা শব্দই বারবার মাথায় আসে, একাগ্রতা।
• একাগ্রতা এবং নিয়মানুবর্তিতাই আপনার জীবনের মূল মন্ত্র?
কোনও যোগী যখন সাধনা করেন সেটা কিন্তু তার অধ্যবসায়। যে কোনও পেশাতেই অধ্যবসায় প্রয়োজন। আর মনুষ্য জীবনের মান আর হুঁশ দু’টোকে একসঙ্গে বয়ে চলতে গেলে অধ্যবসায় ভীষণভাবে প্রয়োজন।
• আপাতদৃষ্টিতে দেখে অনেকেই আপনাকে খুব গম্ভীর মনে করেন। কখনও এই কারণে কেউ ভুল বুঝেছেন?
(হাসি) আমাকে অনেকেই ভুল বোঝেন। এটা নিয়ে শুরুর দিকে মন খারাপ হতো। কিন্তু, এখন কাজের মধ্যে ব্যস্ত থাকি, এগুলো নিয়ে আর ভাবার অবকাশ হয় না। আমি হয়তো কোনও শট দিয়ে গভীর চিন্তা করছি, তখন অনেকে আমাকে দেখে ভেবেছেন আমি খুব গম্ভীর। অথবা কথা বলতে চাই না। কিন্তু, সেই মুহূর্তে আমি আমার শট নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি। এই কারণে আমাকে অনেকে অহংকারীও ভাবেন। আসলে এটা যার যার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি।
• সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিং সামলান কীভাবে?
এখন ট্রোল করাটা অনেকের পেশা হয়ে গিয়েছে। আমি মনে করি এটা সাময়িক।